৪৬তম বিসিএস: স্থগিত মৌখিক পরীক্ষার নতুন সময়সূচি, প্রার্থী ১৩৬১

৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে স্থগিত হওয়া মৌখিক পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ১৮ জানুয়ারি থেকে তৃতীয় পর্যায়ের এ মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ও ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে যে পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছিল, সেগুলোর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ের এই পরীক্ষায় ১ হাজার ৩৬১ প্রার্থী অংশ নেবেন। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারের ৩৯০ জন, কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের ৭৩৮ জন ও উভয় ক্যাডারের প্রার্থী রয়েছেন ২৩৩ জন।

৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার নতুন সূচি.pdf

পরীক্ষার সময়সূচি ও স্থান

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পিএসসির প্রধান কার্যালয়ে এ মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।

প্রার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

পিএসসি জানিয়েছে, মৌখিক পরীক্ষার জন্য কোনো সাক্ষাৎকারপত্র প্রার্থীদের ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানো হবে না। এটি কমিশনের ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) থেকে ডাউনলোড করতে হবে।

আরও পড়ুন

ভাইভা বোর্ডে যা জমা দিতে হবে

১. অনলাইন ফরম: বিপিএসসি ফরম-১ (BPSC Form-1) ও অতিরিক্ত তথ্যসংবলিত ফরম-৩ (BPSC Form-3)-এর কপি।

২. সনদপত্রের সত্যায়িত কপি: শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদ, নাগরিকত্ব সনদ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ২ সেট সত্যায়িত ফটোকপি। মূল কপিগুলোও বোর্ডে প্রদর্শনের জন্য সঙ্গে রাখতে হবে।

৩. স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও এনআইডি: বিএমডিসি নিবন্ধিত চিকিৎসক প্রদত্ত ওজন, উচ্চতা ও বুকের মাপের প্রত্যয়নপত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি।

৪. ডিজিটাল জমা: মৌখিক পরীক্ষার আগেই প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের স্ক্যান কপি পিএসসির নির্ধারিত গুগল ফর্মে (https://forms.gle/Wenx7PCoZh2rZ5L98) আপলোড করতে হবে।

আরও পড়ুন

সতর্কতা

বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রার্থীর পক্ষে যেকোনো ধরনের তদবির বা সুপারিশ প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করা হবে। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে বোর্ডে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে কোনো প্রার্থীর পরীক্ষা দ্বিতীয়বার নেওয়া হবে না এবং প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হতে পারে।

আরও পড়ুন