সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনে বাদ: আজ কর্মসূচি শেষ, কাল আবারও
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে আজ রোববারের কর্মসূচি শেষ করেছেন। আগামীকাল সোমবার আবারও কর্মসূচি পালন করবেন তাঁরা।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। আজ বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে দুই শতাধিক প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এরই মধ্যে বেলা দেড়টার দিকে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সচিবালয়ে গিয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারও সাক্ষাৎ পাননি। পরে তাঁরা বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শাহবাগে আন্দোলনস্থলে ফিরে আসেন।
এর আগে সকাল ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল নিয়ে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে যান তাঁরা। দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে সেখানে অবস্থান নেন।
দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপত্র প্রদান শুরু হলেও শত শত চাকরিপ্রার্থী বাদ পড়েন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই। রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানায়। এরই মধ্যে আজ নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। কর্মসূচির মধ্যে দ্বিতীয় দফায় কয়েকটি জেলায় নতুন করে শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। জেলাগুলোর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে এই নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র পাওয়া জেলাগুলোর মধ্যে রাজশাহীতে ২২ জন, পাবনায় ৩৭, ঠাকুরগাঁওয়ে ২০, টাঙ্গাইলে ১ ও নড়াইলে ৯ জন রয়েছেন। এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিগুলোয় বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জাতীয় বেতন স্কেল–২০১৫ অনুযায়ী ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেতন স্কেলের (গ্রেড–১৩) আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা নির্ধারিত শর্ত প্রযোজ্য হবে। কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এসব প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ পাওয়া প্রার্থীদের নির্ধারিত নিয়ম ও শর্ত মেনে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে যোগদান করতে হবে।