প্রশিক্ষণের আগে যোগদানের সুযোগ চান প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ২০২৫ ব্যাচে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রশিক্ষণের আগে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি এ আবেদন জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগপ্রক্রিয়া চলমান থাকায় সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। অনেকেই পূর্ববর্তী কর্মসংস্থান ছেড়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং বর্তমানে কোনো স্থায়ী কর্মে যুক্ত না থেকে নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। এতে তাঁদের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ভেরিফিকেশন–প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদান করার অনুরোধ জানিয়েছেন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী। এরপর ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (ডোপ টেস্টসহ) এবং সব ধরনের সনদ যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এর পরপরই যোগদান করার কথা থাকলেও দুই মাস ধরে পুরো প্রক্রিয়াটি থমকে আছে।
এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ চলছে। সরকার চায়, নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও তাঁদের চূড়ান্ত পদায়ন করা হবে পিটিআই (প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র) প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি প্রথম আলোকে বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে জেলাগুলোতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ চলছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শিক্ষকদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে। তবে শিক্ষকদের চূড়ান্ত পদায়ন হবে পিটিআই প্রশিক্ষণ শেষে।