প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশিত, উত্তীর্ণ ৬৯২৬৫, দেখুন এখানে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল আজ বুধবার সন্ধ্যায় প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করে।
গত ৯ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি প্রার্থী। অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবারের নিয়োগ পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর মধ্যে ৭৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। ফলাফল প্রস্তুত করে আজ রাতে তা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) আপলোড করা হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত প্রার্থীদের মুঠোফোনে খুদে বার্তার (SMS) মাধ্যমেও ফল জানিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়াটি নির্ভুল ও স্বচ্ছ রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।
উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা খুব শিগগির বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। এর আগে গত ২ জানুয়ারি এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে তা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি বিকেলে পুনঃ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কম সময়ে ফলাফল প্রকাশিত হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও পরীক্ষাটি ঘিরে শুরু থেকেই নানামুখী বিতর্ক ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। পরীক্ষা শুরুর মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র বাইরে চলে আসা এবং ‘কেন্দ্র কন্ট্র্যাক্টে’র অভিযোগ তুলেছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। জালিয়াতি ও ডিজিটাল নকলের প্রতিবাদে এবং স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে অধিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভও করেছিলেন পরীক্ষার্থীদের একটি অংশ। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অভিযোগের তদন্ত করে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গোয়েন্দা সংস্থা আথ্হাপিত অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পাদন করেছেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। কোনো প্রকার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।’