বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ওয়েবসাইটে কর্মকর্তা নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, ২২-৩০ অক্টোবরের মধ্যে কয়েকটি পদের মৌখিক পরীক্ষা নেবে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে ২৯ অক্টোবর সকালে ও বিকেলে দুটি পদের মৌখিক পরীক্ষা পড়েছে। পদগুলো হলো জুনিয়র অফিসার (অ্যাকাউন্টস) ও জুনিয়র অফিসার (সেলস)।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চাকরিপ্রার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুটি পরীক্ষা একই দিনে পড়ায় আমার মতো অনেকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। অনেক পরিশ্রম করে পদ্মা অয়েলের লিখিত পরীক্ষায় পাস করেছি। এখন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে চাকরিটা হারাব। অন্যদিকে বিসিএস দিতে না পারলে এত দিনের পুরো প্রস্তুতি বিফলে যাবে। আমাদের মতো বেকারদের নিয়ে তামাশা বন্ধ হোক। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারাটা যে কত কষ্টের, তা আমার মতো ভুক্তভোগীরাই জানে।’

পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক (এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন) মো. শহিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘পিএসসি বলেছিল, তারা বন্ধের দিন নিয়োগ পরীক্ষা নেবে না। তাই আমরা শুক্রবার পরীক্ষার তারিখ দিয়েছি। এখনো যেহেতু ২৯ অক্টোবর আসার অনেক দিন বাকি, তাই আমরা অপেক্ষা করছি। পিএসসি যদি ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন না করে, তাহলে আমরা চাকরিপ্রার্থীদের কথা চিন্তা করে আমাদের ওই দিনের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ পুনর্বিবেচনা করব।’

৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসনে ৩০০ জন, পুলিশে ১০০, পররাষ্ট্রে ২৫, শিক্ষায় ৮৪৩, অডিটে ৩৫, তথ্যে ২২, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমসে ১৪ ও সমবায়ে ১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নূর আহমদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় এমসিকিউ টাইপ প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বই, ঘড়ি, মুঠোফোন, ব্যাগ, গয়না ও কোনো ধরনের ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকা যাবে না। কানে কোনো ধরনের শ্রবণযন্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শসহ আগেই পিএসসির অনুমতি নিতে হবে।

নিয়োগ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন