বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উত্তর

ক. আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়।

খ. বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত। বাংলাদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত অঞ্চলসমূহ হলো প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ। নিচের মানচিত্রে অঞ্চলগুলো দেখানো হলো:

চিত্র: প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ

default-image

ঘ. শিক্ষার্থীরা দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বরেন্দ্র ভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়ের ভূপ্রকৃতির একই রূপ বৈশিষ্ট্য দেখতে পান। বর্ণিত অঞ্চলসমূহের ভূপ্রকৃতি হলো প্লাইস্টোসিনকালের সোপান। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়। প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয় এবং গঠন প্রক্রিয়া একই রকম ছিল। তাই এদের ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য একই রকম।

যেমন এদের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো-

১. বরেন্দ্র ভূমি: দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বরেন্দ্র ভূমি বিস্তৃত। প্লাবন সমভূমি হতে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।

২. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। মাটির রং লালচে ও ধূসর।

৩. লালমাই পাহাড়: প্লাইস্টোসিন সোপানের তৃতীয় অঞ্চলটির অবস্থান দেশের মধ্য–পূর্বাঞ্চলের কুমিল্লা জেলায়। কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

সুতরাং গঠন বৈশিষ্ট্যের কারণে তিনটি ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত হলেও বাংলাদেশের উচ্চভূমির ভূপ্রকৃতি সমরূপ বৈশিষ্ট্যের।

মো. শাকিরুল ইসলাম, প্রভাষক, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

এই অধ্যায়ের প্রকাশিত পূর্বের সৃজনশীল প্রশ্ন

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন