default-image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম। কয়েক দিন থেকে তাঁর কোমরে ব্যথা। সকালে ব্যথা আরও বাড়ে। এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্মুক্ত গ্রন্থাগারে পড়তে। ক্যাম্পাসে এসে দেখেন, উদ্বোধন হচ্ছে নতুন মেডিকেল সেন্টার। যান সেখানে, পরামর্শ নেন চিকিৎসকের। ওষুধ দেওয়া হয় মেডিকেল থেকে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রথম সেবা নিয়ে এভাবেই নিজের অভিজ্ঞতা প্রথম আলোর কাছে জানাচ্ছিলেন এই শিক্ষার্থী। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচতলায় উপাচার্য মীজানুর রহমান নবনির্মিত মেডিকেল সেন্টারের উদ্বোধন করেন।

শিক্ষার্থী রবিউলকে সেবা দেওয়া চিকিৎসা কর্মকর্তা রাকিব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আগের তুলনায় মেডিকেল সেন্টারের পরিধি অনেক বেড়েছে। নতুন মেডিকেল সেন্টারে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক চিকিৎসাসহ বিভিন্ন প্যাথলজি সেবা ও পরীক্ষা করতে পারবেন।

মেডিকেল সেন্টার কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে মেডিকেল সেন্টারে জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি বিভাগ এবং নারী ও পুরুষের পৃথক ওয়ার্ড করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চিকিৎসা দিতে একজন উপপ্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা, দুজন চিকিৎসা কর্মকর্তা, একজন টেকনিক্যাল অফিসার, একজন সিনিয়র মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট, একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও দুজন অফিস সহায়ক কাজ করবেন।

বিজ্ঞাপন

উপপ্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা মিতা শবনম প্রথম আলোকে বলেন, মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসকের সংখ্যা এখন বেশি। ওষুধের পরিমাণও বেড়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এখন পুরুষ ও নারী ওয়ার্ড হয়েছে। এতে রোগীদের পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া যাবে। এ ছাড়া প্রাথমিক বিভিন্ন পরীক্ষা এখন মেডিকেল সেন্টারেই করা যাবে। সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে।

মেডিকেল সেন্টারের উদ্বোধন শেষে উপাচার্য মীজানুর রহমান বলেন, ‘আগের তুলনায় মেডিকেল সেন্টারের সেবা ও পরিধি অন্তত ১০ গুণ বেড়েছে। করোনা সংক্রমণের মধ্যেই আমাদের চলতে হবে। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা তাঁদের প্রাথমিক সব চিকিৎসাসেবা এখান থেকে নিতে পারবেন।’

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন