গুচ্ছভুক্ত বি ইউনিটের উপস্থিতি ৮২.৪৫ শতাংশ, ফল শিগগিরই
গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক বি ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দেশের ২১টি কেন্দ্রে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বি ইউনিটে ৯৩ হাজার ১০২টি আবেদনকারীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৬ হাজার ৭৬২ ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থী, যা মোট শিক্ষার্থীর ৮২ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর মধ্যে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে সর্বোচ্চ উপস্থিতি হার ৮৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে, যার উপস্থিতির হার ৬১ শতাংশ। ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মনজুরুল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে অন্যান্য কেন্দ্রে মোটাদাগে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটলেও ইবি কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ট্যাম্পারিং (জাল) অ্যাডমিট কার্ডসহ এক ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থী ধরা পড়েন। পরে দায়িত্বরত ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান চেক করেন এবং পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন সংশ্লিষ্ট ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে।
অধ্যাপক মনজুরুল হক বলেন, প্রায় সব কেন্দ্রে উপস্থিতির সংখ্যা ভালো ছিল। তবে দু–একটি কেন্দ্রে উপস্থিতির সংখ্যা কম ছিল। অনুপস্থিতির হার ১৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ, অর্থাৎ অনুপস্থিত ছিলেন ১৬ হাজার ৩৪০ পরীক্ষার্থী। প্রক্রিয়া শেষে শিগগরিই বি ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘যেহেতু গত পরীক্ষাটি খুব সুন্দরভাবে হয়েছে, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে অভিযোগ আসেনি, সে ক্ষেত্রে আমরা অনুমান করে নিতে পারি, সবকিছু ঠিকঠাকই আছে। বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে নির্দেশনাই দেওয়া আছে।’
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪৮০ ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে এ ইউনিটে ১ লাখ ৬৬ হাজার ২৪০ জন আবেদন করেন। আগামী ১০ এপ্রিল এ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ও আর্কিটেকচারের ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।