এসএসসি পরীক্ষায় সব শিক্ষাবোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র হবে, এইচএসসিতেও একই নিয়ম: শিক্ষামন্ত্রী

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।ছবি: মোশতাক আহমেদ

এখন থেকে এসএসসিতে দেশের সব শিক্ষাবোর্ডে (সাধারণ) অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এইচএসসি পরীক্ষাও এই নিয়মে হবে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। এতদিন এই দুই পাবলিক পরীক্ষা শিক্ষাবোর্ডগুলো আলাদা প্রশ্নপত্রে নিত।

আসন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) এবং ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠেয় ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এর চূড়ান্ত অনুষ্ঠানের তথ্য জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সারা দেশে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক বলেন, কোনো বোর্ড একটু নমনীয় প্রশ্ন করে, কোনো বোর্ড কঠিন প্রশ্ন করে। এক বাংলাদেশে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষা ভিন্ন প্রশ্নে হতে পারে না। এ ক্ষেত্রে তিনি একই প্রশ্নপত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইংরেজি মাধ্যমের ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা নেওয়ার তথ্য তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন
এক বাংলাদেশে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ভিন্ন প্রশ্নে হতে পারে না। একই প্রশ্নপত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইংরেজি মাধ্যমের ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা হয়
শিক্ষামন্ত্রী, আ ন ম এহছানুল হক

২০ জুলাই এসএসসির ফল—

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষা সবার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করা হবে ২০ জুলাই।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সেশনজট কমিয়ে আনতে সিলেবাস শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে এক বছর আগেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি ওই বছরের ৬ জুন শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।