গাজার ৬ লাখের বেশি শিশু শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত: জাতিসংঘ

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের আগ্রাসনের কারণে গত আট মাসে গাজা উপত্যকার ৬ লাখ ২৫ হাজার শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের একটি সংস্থা। ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংস্থার সদস্যরা ফিলিস্তিনি শিশুদের শিক্ষার জগতে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে যাচ্ছে। তবে এ পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়। এই যুদ্ধ গাজার শিশুদের শৈশব কেড়ে নিয়েছে। বেঁচে থাকা শিশুরা মানসিক আঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কারণ, তাদের স্কুলগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তারা শিক্ষা বা খেলা ছাড়াই দিন কাটাচ্ছে। তাদের পুরো শিক্ষাবর্ষ হারাতে বসেছে।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংঘাত, যুদ্ধ ও আগ্রাসনে শিশুরাই প্রথম সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাজার যুদ্ধে অনেক শিশু নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে। এ ক্ষত তাদের আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে।
এর আগে জাতিসংঘের বরাত দিয়ে গত মে মাসে গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশ স্কুল ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের আগ্রাসনের শুরু হয় গত ৭ অক্টোবর। এর পর থেকে প্রায় ৩৮ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্য শিশু ও নারীও আছেন। আহত হয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫২ জন। তবে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা আরও বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, হাসপাতালে আসা হতাহত ব্যক্তিদের ভিত্তিতেই হালনাগাদ তথ্য দিয়ে থাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি ও স্থাপনার নিচে এখনো প্রায় ১০ হাজার লাশ পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

বেসামরিক লোকজনের ব্যাপক প্রাণহানি সত্ত্বেও গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাব এখনো সাফল্যের মুখ দেখেনি। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দেওয়া এই প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হয়েছিল। এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে কিছু সংযুক্তিসহ নিজেদের জবাব দিয়েছে হামাস। তবে ইসরায়েল বলেছে, প্রস্তাবে কোনো ধরনের পরিবর্তন তারা মেনে নেবে না।