বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ইউএনডিপি পার্লামেন্ট ইয়ং ফেলোশিপ, আবেদনের সুযোগ যাদের

প্রথম আলো ফাইল ছবি

বাংলাদেশের তরুণ গ্র্যাজুয়েট ও উদীয়মান গবেষকদের জন্য জাতীয় সংসদীয় ব্যবস্থা, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং নীতিনির্ধারণী গবেষণায় সরাসরি যুক্ত হওয়ার এক ব্যতিক্রমী সুযোগ তৈরি হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-১৬ ‘শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান’ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় যৌথভাবে পার্লামেন্ট ইয়ং ফেলোশিপ প্রোগ্রামে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে তথ্যভিত্তিক গবেষণা ও আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আরও গতিশীল করতেই এই পাইলট উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রোগ্রামের আওতায় তরুণ গবেষককে পার্লামেন্ট ইয়ং ফেলো হিসেবে ছয় মাসের জন্য চুক্তিবদ্ধ করা হবে। নির্বাচিত ফেলোদের কর্মস্থল হবে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

আরও পড়ুন

আবেদনকারীদের যোগ্যতা ও সুযোগ-সুবিধা—

এই আবেদনের জন্য ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো বাংলাদেশি আবেদন করতে পারেন। প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে আইন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পার্লামেন্টারি স্টাডিজ, অর্থনীতি, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, রাজনৈতিক বিজ্ঞান কিংবা সোশ্যাল সায়েন্সের যেকোনো বিষয়ে স্নাতক বা ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও চলবে, তবে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সাবলীল লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে। সেই সাথে গবেষণা উপস্থাপন, মাইক্রোসফট অফিস ও এআই টুলসের সঠিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের দক্ষতা চাওয়া হয়েছে।

ফেলোদের প্রত্যক্ষ তদারকি করবেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার/অ্যানালিস্ট এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট উইংয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এটি ন্যাশনাল কমিউনিটি ইউএন ভলান্টিয়ার ক্যাটাগরির একটি দায়িত্ব হওয়ায় ফেলোরা জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত সম্মানী, ভাতা ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।

আরও পড়ুন

সময়সীমা—

আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ইউএনভির অফিশিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন। বিস্তারিত ওয়েবসাইট:

জাতিসংঘ নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক করে জানিয়েছে, কোনো পর্যায় বা আবেদন প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার অর্থ বা ফি গ্রহণ করা হয় না। বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা এবং সরকারি নীতিনির্ধারণী কাঠামোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি একটি তথ্যনির্ভর আইনসভা গঠনে এই ইয়ং ফেলোশিপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন