বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৯৫৫ সাল থেকে ই-৩ বাজারে নতুন গেম বাজারে ছাড়ার সময় আরও উত্তেজনা তৈরিতে পুরো গেমিং জগৎকে একত্র করছে। এ সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বের বড় বড় গেমস নির্মাতারা তাদের প্রকল্পগুলো সবার সামনে তুলে ধরে। গত বছর নিনটেনডো, এক্সবক্স, কোনামি ও ইউবিসফটের মতো গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আয়োজনটি ডিজিটাল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং গেমপ্রেমীরা অনলাইন প্রদর্শনী, ট্রেলার ও প্রিভিউ পণ্য দেখার অনুমতি পেয়েছিল।

ইএসএ বলেছে, ‘তারা ই-৩-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত ঘোষণা দেওয়ার আশা করছে।’ তবে এ বছর ডিজিটাল আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে ব্যাপারে কিছু জানায়নি ইএসএ।

নতুন কী হতে চলেছে, তা দেখার জন্য সাংবাদিক, ইউটিউবার ও অনুরাগীরা মুখিয়ে ছিলেন। নতুন কোন গেম কেমন আলোচিত বা সমালোচিত হচ্ছে, কোন গেম আর্থিকভাবে সাফল্য পেতে যাচ্ছে, তা নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করে সাংবাদিক-ইউটিউবারদের পর্যালোচনা এবং পরবর্তীকালে অনলাইন আলোচনা।

এই গেমিং সম্মেলনেই নিনটেনডো ওয়াই প্রথম দেখানো হয়েছিল, প্লেস্টেশন-৪-এর ঘোষণা এসেছিল এবং হ্যালো-২-এর মতো ক্লাসিক গেমগুলো প্রকাশিত হয়েছিল।

করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছরের আয়োজন বাতিলের খবর ২০২০ ও ২০২১ সালে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার তুলনায় অনেক আগেই এসেছে। কেউ কেউ এখন এ সম্মেলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। এদিকে কয়েক বছর ধরে ই-৩ সম্মেলনের প্রভাব কমছে। এর কারণ ইলেকট্রনিক আর্টস ও প্লেস্টেশনের নির্মাতা সনির মতো বড় গেমিং প্রতিষ্ঠানগুলো এ রকম আয়োজনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউব, স্ট্রিমিং সাইটে গেম নির্মাতা ও প্রকাশকদের সঙ্গে গেমারদের যে আলোচনা হচ্ছে এখন, সেসবে কেউ কেউ যুক্তি দিয়েছেন, ই-৩ সম্মেলনের এখন আর কোনো প্রয়োজন নেই।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন