বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এবার খাদ্যসংকট মোকাবিলায় ডব্লিউএফপির পরিকল্পনা পেশ করলেন ডেভিড বিজলি। জানালেন, ৬৬০ কোটি ডলার হলে চলমান খাদ্যসংকট মিটবে। আর কত টাকা কোন খাতে খরচ করা হবে, তার হিসাবও দিয়েছেন তিনি।

ডব্লিউএফপির পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, সংঘাত, জলবায়ুসংকট, কোভিড-১৯ অতিমারির প্রভাব এবং অনাহারী মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছানোর ক্রমবর্ধমান খরচের কারণে তীব্র খাদ্যসংকট তৈরি হচ্ছে। ওই ৬৬০ কোটি ডলার হলে ৪৩ দেশের অনাহারে থাকা ৪ কোটি ২০ লাখ মানুষকে বাঁচানো সম্ভব।

পরিকল্পনায় দেখানো হয়, যে অঞ্চলগুলোতে সংকট সবচেয়ে বেশি, সেখানে ওই অর্থের ৩৫০ কোটি ডলার খরচ করা হবে খাদ্যসামগ্রী কেনা ও পরিবহনে। এরপর যে এলাকাগুলোতে বাজার থেকে খাদ্য কেনার সুযোগ আছে, সেখানে খাদ্যের কুপন দেওয়া হবে ২০০ কোটি ডলারের। দেশভেদে কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে ৭০ কোটি ডলার আর ৪০ কোটি ডলার খরচ হবে নানা ধরনের প্রশাসনিক কাজে।

এ পরিকল্পনায় দেখানো হয়, ক্ষুধাপীড়িত ৪৩ দেশের অনাহারীদের দিনে একবার খাবার পরিবেশন করা হলে টানা এক বছর এ খাদ্য কর্মসূচি চালানো যাবে এবং দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি এড়ানো যাবে। একজনের প্রতিবেলার খাদ্যের খরচ ধরা হয়েছে ৪৩ সেন্ট বা ৩৭ টাকার মতো।

ডেভিড বিজলির যে সাক্ষাৎকারের লিংক টুইটারে শেয়ার করেছেন ইলন মাস্ক, সেখানে লেখা ছিল, ‘ওই অর্থে খাদ্যসংকটের স্থায়ী সমাধান হবে।’ বিজলি পরে বলেছেন, সাক্ষাৎকারের ব্যাপারটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি আসলে বলতে চেয়েছেন, ওই পরিমাণ অর্থ হলে ৪ কোটি ২০ লাখ মানুষকে দুর্ভিক্ষ থেকে বাঁচানো সম্ভব।

এখন সবাই অপেক্ষায় আছেন, ইলন মাস্ক এ ব্যাপারে কী বলেন। তিনি কি টেসলার শেয়ার বিক্রি করে ডেভিড বিজলির আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনাহারীদের মুখে খাবার তুলে দেবেন, নাকি ফাঁকফোকর খোঁজার চেষ্টা করবেন। ইলন মাস্ক অবশ্য এখন পর্যন্ত বিজলির টুইটের ব্যাপারে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন