বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্কুলিকের বিবৃতিতে আরও লেখা ছিল, ‘ফেসবুক এবং এর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা প্রতারক ও প্রতারণার মানসিকতা নিয়ে কাজ করছেন। সেটা কেবল আমাদের সঙ্গেই নয়, বরং পুরো মানবজাতির বিপক্ষে।’

default-image

এদিকে তীব্র সমালোচনা এড়াতেই ফেসবুকের নাম পরিবর্তন বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। নতুন নাম গ্রহণের ঘোষণাও এমন সময়ে এসেছে, সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে দেশে দেশে আইনপ্রণেতারা যখন ফেসবুকের কর্মকাণ্ড নিয়ে কড়া সমালোচনা করছেন।

মার্ক জাকারবার্গ অবশ্য এমন ধারণা অমূলক বলে দাবি করেন। বরং ‘ফেসবুক’ নামটিতে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের পুরো কর্মকাণ্ড এখন আর ঠিকঠাক প্রকাশিত হচ্ছে না, সেটি তাঁদের প্রতিষ্ঠানের কেবলই একটি পণ্য। বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে আমরা নিজেদের মেটাভার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’

স্কুলিকের দাবি, ‘তিন মাস ধরে ফেসবুকের আইনজীবীরা তাঁদের কাছে আমাদের নাম বিক্রির কথা বলছেন। আমরা বেশ কয়েকটি কারণে তা ফিরিয়ে দিয়েছে। প্রথমত, যে মূল্য দিতে চায় তাতে আমাদের নাম পরিবর্তনের পুরো খরচ উঠবে না। তা ছাড়া আমরা বারবার সেই গ্রাহকের নাম ও উদ্দেশ্য জানতে চেয়েছি, যেটা তাঁরা প্রকাশ করতে রাজি হননি।’

অন্তত দুটি আইনি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠাতা স্কুলিকের মেটা কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এক পক্ষ থেকে ট্রেডমার্ক বিক্রির জন্য চাপ এসেছে। আর ইউরোপের অন্য পক্ষটি নিবন্ধিত ডোমেইন নাম বিক্রির জন্য বারংবার বলতে থাকে।

মেটা কোম্পানির নামে ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের একটি আবেদন করা হয় ২০১৬ সালে, যেটার মালিকের ঠিকানা শিকাগো। তবে ২০১৫ সালে মেটা নামের জন্য আরেকটি ট্রেডমার্কের আবেদন করা হয়, যেটার মালিক মার্ক জাকারবার্গ ও তাঁর স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানের গড়া দাতব্য সংস্থা চ্যান জাকারবার্গ ইনিশিয়েটিভ।

এদিকে ‘মেটা পিসি’ নামের আরেক মার্কিন প্রতিষ্ঠানও ট্রেডমার্কের জন্য আবেদন করে। সেটির কাজ কম্পিউটার সামগ্রী বিক্রি করা। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, জাকারবার্গের মেটা যদি তাদের ২ কোটি ডলার দেয় তবে তারা ট্রেডমার্কের আবেদন তুলে নেবে। তবে টুইটারে মজা করতে ছাড়েননি প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতারা।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন