সংক্ষেপে জেনে রাখি - প্লাজমা, অ্যান্টিজেন, পাললিক শিলা, সামুদ্রিক প্রবাল

প্লাজমা

রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস বা প্লাজমা ও রক্তকণিকা। রক্তের শতকরা ৫৫ ভাগ প্লাজমা ও বাকি ৪৫ ভাগ রক্তকণিকা। প্লাজমাকে আলাদা করলে এটি হলুদ বর্ণের দেখায় এবং রক্তকণিকাগুলো এই রক্তরসে ভাসমান থাকে। প্লাজমার শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ পানি, বাকি ১০ ভাগ দ্রবীভূত অবস্থায় জৈব ও অজৈব পদার্থ।

অ্যান্টিজেন

অ্যান্টিজেন হচ্ছে বহিরাগত কোনো বস্তু বা প্রোটিন, যেটি আমাদের রক্তে প্রবেশ করলে আমাদের শরীরের নিরাপত্তাব্যবস্থা সেটাকে ক্ষতিকর মনে করে তাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। ১৯০০ সালে ড. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার আবিষ্কার করেন, বিভিন্ন মানুষের রক্তে লোহিত কণিকায় দুই ধরনের অ্যান্টিজেন পাওয়া যায়।

পাললিক শিলা

পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়, তাকে পাললিক শিলা বলে। ভূপৃষ্ঠের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ পাললিক শিলা। তবে মহাদেশীয় ভূত্বকের আবরণের শতকরা ৭৫ ভাগই পাললিক শিলা।

সামুদ্রিক প্রবাল

প্রবাল হলো অ্যান্থজোয়া শ্রেণিভুক্ত সামুদ্রিক প্রাণি। সাধারণত ২২–২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রবালের জন্য উপযোগী। এই তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি বেড়ে গেলেই তা প্রবালের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে পড়ে। ১৯৬০ সালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যে পরিমাণ প্রবাল ছিল, ২০১০ সালে তার শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ বিলীন হয়ে যায়।

আরও পড়ুন