নাটকের শুরুটাও বাংলা সিনেমার মতো। পথে একটি মেয়ের সঙ্গে একটা ছেলের ধাক্কা। দুজন দুই দিকে ছিটকে পড়ে। সেদিনই ছেলেটির মেয়েটিকে ভালো লেগে যায়। খবর নিয়ে জানতে পারে মেয়েটি সিনেমা পছন্দ করে। মন পেতে শাহরুখ খান ও সালমান খান সেজে মেয়েটির সামনে যান। হিতে বিপরীত হয়। হিন্দি সিনেমা মেয়েটির দুচোখের বিষ। তার পছন্দ বাংলা সিনেমা। এবার আর ভুল হয় না।

সালমান শাহ, মান্না, ওমর সানীর বেশ ধরে হাজির হয় ছেলেটি। ইরফান সাজ্জাদ জানালেন, প্রতিটি চরিত্রসজ্জার পেছনেই রয়েছে আলাদা গল্প। সে প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই নায়কগুলোর অনেক ভক্ত। বিশেষ করে সালমান শাহর সঙ্গে আমাদের ইমোশনাল অ্যাটাচমেন্ট সবচেয়ে বেশি। তাঁর মতো করে সাজতে ভয় লাগছিল। এখনো তাঁর অসংখ্য ভক্ত। মনেপ্রাণে তাঁরা সালমান শাহকে লালন করেন। ভুল হলে মেনে নিতে পারবে না।’

নাটকটির প্রয়োজনে একাধিক বাংলা সিনেমা দেখতে হয়েছে। ইরফান বলেন, ‘সালমান শাহ, মান্না, ওমর সানীর কাজের আলাদা ভাষা রয়েছে। তাঁদের কাজ দিয়ে দেশের সিনেমার সময়কে আলাদা করা যায়। তাঁদের চরিত্রে কিছুটা হলেও অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি, সেটাই আমার বড় পাওয়া। কয়েক দিন এই চরিত্রগুলোর মধ্যেই ছিলাম। বারবার মনে হয়েছে, তাঁরা সবাই থাকলে হয়তো আমাদের চলচ্চিত্র আরও ভালো জায়গায় যেত।’

নাটকটি পরিচালনা করেছেন মাহমুদ হাসান। এটি আগামী ঈদুল আজহায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনে প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে। নাটকে ইরফান সাজ্জাদের সহশিল্পী ছিলেন তাসনুভা তিশা ও জয়নাল জ্যাক প্রমুখ।