default-image

উৎসবের আমেজ চারদিকে। নানা রঙের ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো পুরো এলাকা। দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা নাট্যকার ও নাট্যনির্দেশকদের সংক্ষিপ্ত জীবনীসংবলিত ছবি শোভা পাচ্ছিল সবখানে। ‘গণায়ন নাট্যোৎসব ২০১৫’ শিরোনামের আয়োজন উপলে-ক্ষ এভাবে সেজেছিল চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণ। রাজনৈতিক অস্থিরতাকে উপেক্ষা করে গণায়ন নাট্যসম্প্রদায়ের পথচলার ৪০ বছর পূর্তি উপলেেক্ষ এখানে বসেছিল নাটকের আসর। ২০ ফেব্রুয়ারি আতশবাজির ঝলকানিতে পর্দা নামে নয় দিনব্যাপী আনন্দ আয়োজনের।
উৎসবের সমাপনী দিন জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় নাট্যকর্মী সম্মেলন। গণায়নের পুরোনো ও নতুন নাট্যকর্মীদের পদচারণে মুখরিত হয়ে উঠেছিল উৎসব প্রাঙ্গণ। এরপর সন্ধ্যায় মুক্তমঞ্চে মঞ্চস্থ হয় গণায়নের যায় দিন ফাগুনো দিন শিরোনামে পথনাটক। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন মিলন চৌধুরী। চল্লিশ বছর আগে নাটকের প্রথম মঞ্চায়নে অভিনয় করেছিলেন মনতোষ ধর, রণজিৎ রক্ষিত, সন্জীব বড়ুয়া ও শান্তনু বিশ্বাস। দীর্ঘ চল্লিশ বছর পর এই পথনাটকে আবারও একসঙ্গে দেখা গেল এই কুশীলবদের। এরপর মঞ্চস্থ হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ পরিবেশিত নাটক হাইড অ্যান্ড সিক। নাটকটি রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন মামুনুল হক। পথনাটকের পরিবেশনা শেষে মঞ্চে শুরু হয় উৎসবের সমাপনী পর্বের আয়োজন।
গণায়ন নাট্যোৎসবের আহ্বায়ক সাহাবুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহেদ মালেক। আমেনা ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন শৈবাল দাশ এবং মুখ্য আলোচক ছিলেন গণায়নের দলনেতা ম. সাইফুল আলম চৌধুরী। আলোচনা পর্ব শেষে মুক্তমঞ্চে বসে যাত্রাপালার আসর। ভিখারির ছেলে শিরোনামের এ যাত্রাপালা পরিবেশন করে সৌখিন নাট্যগোষ্ঠী। যাত্রাপালা শেষে জাতীয় সংগীতের পরিবেশনা ও আতশবাজির ঝলকানিতে পর্দা নামে এ আনন্দ আয়োজনের।

বিজ্ঞাপন
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন