তামিলনাড়ু সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করে। গতকাল এ কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দম্পতি আইন মেনেই সন্তান জন্ম দিয়েছেন। বিয়ের পাঁচ বছর পার হলেই সারোগেসির আবেদন করা যায়। যিনি সন্তানের জন্ম দেবেন, তাঁকে হতে হবে নিকটাত্মীয়। এই নিয়ম মেনেই ২০২১ সালে এক নিকটাত্মীয়র সঙ্গে সারোগেসির চুক্তি হয় নয়নতারা ও ভিগনেশের।

সেই চুক্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসে সারোগেসির প্রক্রিয়াটি শুরু হয়। ভারতে বাণিজ্যিকভাবে সারোগেসি নিষিদ্ধের আইন কার্যকর হয় চলতি বছর। সে অনুযায়ী আইন কার্যকর হওয়ার আগেই তাঁদের চুক্তি হয়েছিল। জানা গেছে, যে হাসপাতালে নয়নতারা-ভিগনেশের সন্তানদের জন্ম হয়েছে, সেই হাসপাতাল থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

নয়নতারা ও ভিগনেশ দীর্ঘ সাত বছর প্রেম করার পর গত ৯ জুন ভারতের মহাবলীপুরমের শেরাটন পার্ক রিসোর্টে বিয়ে করেন। কিন্তু কিছুদিন আগে জানা গেছে, ছয় বছর আগেই তাঁদের বিয়ের নিবন্ধন হয়েছে। বিয়ের নথি তদন্ত দলকে জমা দিয়েছেন নয়নতারা ও ভিগনেশ।