‘সরদার’-এর পরিচালক পি এস মিথরান। বরাবরই টানটান অ্যাকশন ছবি বানান তিনি। বানিয়েছেন এবারও। এই পরিচালকের বিশেষ গুণ সিনেমা বানানোর সময় তিনি গল্প যেভাবে এগিয়ে যাওয়া উচিত, সেভাবেই এগোতে দেন। আরোপিত কিছু করতে চান না। তেমনটা করেছেন এ ছবিতেও। সমালোচকদের মতে, গল্প সাদামাটা হলেও পরিচালনার গুণে উতরে গেছে ‘সরদার’।

হিন্দুস্তান টাইমস ছবিটি সম্পর্কে লিখেছে, তামিল সিনেমা তাদের শেকড় থেকে দূরে সরে যায় না। এ জন্যই কিছু দুর্বলতা থাকলেও ‘সরদার’ তামিল স্পাই-থ্রিলারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছবি।

যেকোনো স্পাই–থ্রিলারের জন্য অ্যাকশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানেও ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে ‘সরদার’। একই সঙ্গে সাধারণ দর্শক খুশি হবে আবার বিশ্বাসযোগ্যও হবে—এমনভাবেই অ্যাকশন দৃশ্যগুলোর পরিকল্পনা করেছেন পরিচালক।

দক্ষিণ ভারতের সিনেমাগুলোতে বড় তারকা এখনো বড় ব্যাপার। ‘সরদার’ নিয়ে এত মাতামাতির অন্যতম কারণ কার্থি। কয়েক বছর ধরেই ‘কাইথি’, ‘সুলতান’, ‘পোন্নিইন সেলভান ১’-এর মতো ছবি করেছেন কার্থি। এবারও ‘সরদার’ দিয়ে বাজিমাত করেছেন তিনি। ‘সরদার’-এ পিতা ও পুত্র—দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তরুণ ও বয়স্ক দুই চরিত্রেই তাঁর অভিনয়–অ্যাকশন প্রশংসা পাচ্ছে।

অনেক স্পাই-থ্রিলারে নায়িকাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। বলা হয়, কেবল নায়িকা রাখতে হবে বলেই রাখা হয়। কিন্তু ‘সরদার’-এর দুই অভিনেত্রী রাশি খান্না, লায়লা প্রশংসা পাচ্ছেন। এ ছাড়া প্রশংসিত হচ্ছেন চাঙ্কি পান্ডে। হিন্দি ছবির এই অভিনেতাও আছেন তামিল ছবিটিতে।

২১ অক্টোবর মুক্তির পর ৫০ কোটি ব্যবসার মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘সরদার’। বক্স অফিস বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আগামী রোববারের মধ্যে ১০০ কোটিও ছুঁয়ে ফেলবে ছবিটি। ‘সরদার’-এর সাফল্যে এর মধ্যেই ছবিটির সিকুয়েলের ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতারা।