default-image

প্রিয় পাত্রীর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত করণ বলেন, ‘অবশ্যই ধর্মার জন্য সৌভাগ্য বয়ে এনেছে। ‘লাস্ট স্টোরিজ’দিয়ে কিয়ারার সঙ্গে যে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেটা এখনো অটুট আছে। যেসব তারকা আমাদের জন্য বক্স অফিসের সাফল্য নিয়ে এসেছে, কিয়ারা তাদের একজন।’ কেবল করণই নন, ছবির সহ-অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানও কিয়ারাকে ‘সৌভাগ্যের পরশ’ বলে অভিহিত করেন। কেবল ‘যুগ যুগ জিও’ নয়, এর আগের ছবি ‘ভুল ভুলাইয়া টু’ তো বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হিট হয়েছে। গত মে মাসে মুক্তি পাওয়া ছবিটি বক্স অফিস থেকে ২৬৬ কোটি রুপি আয় করেছে, যা চলতি বছর হিন্দি ছবির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

default-image

কিয়ারার বলিউডযাত্রা অবশ্য এতটা মসৃণ ছিল না। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ছবি ‘ফাগলি’ ফ্লপ হয়। তিনি সাফল্য পান ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘এম এস ধোনি—দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ দিয়ে। নীরজ পান্ডে পরিচালিত ছবিটি ২০০ কোটি রুপি ব্যবসার মাইলফলক স্পর্শ করে। অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে আলোচিত-সমালোচিত ‘কবির সিং’ দিয়ে। ২৭৮ কোটি রুপি আয় করে ছবিটি। এরপর কিয়ারা ঝড় তোলেন ধর্মার আরেক ছবি ‘গুড নিউজ’ দিয়ে। সে ছবিও ২০০ কোটি রুপির বেশি ব্যবসা করে।

default-image

টানা সাফল্যে একের পর এক নতুন ছবির প্রস্তাব পাচ্ছেন। ফলে সেভাবে সাফল্য উদ্‌যাপনের সুযোগই পাচ্ছেন না কিয়ারা। এ প্রসঙ্গে ২৯ বছর বয়সী অভিনেত্রী বলেন, ‘সাফল্য নিয়ে কথা বলার সময় নেই। প্রতিটি হিটের পরপরই আমাকে কাজে নেমে পড়তে হয়েছে। বলা যায়, আমি বসতেই পারিনি। হিট হওয়া কোনো ছবির পরেই একটুও বিশ্রাম বা উদ্‌যাপনের ফুরসত মেলেনি...কাজ আসছেই। এটা আমি উপভোগও করছি। যখন এতটা ভালোবাসা আর কাজ থাকে, তখন এটাই আমার উদ্‌যাপন।’ সামনে কিয়ারা অভিনীত ‘গোবিন্দ নাম মেরা’ ও ‘আরসি ফিফটিন’ ছবি দুটি মুক্তি পাবে।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন