ছবিতে রাজকুমার রাও, রাধিকা আপ্তে, হুমা কুরেশি, সিকান্দার খেরের মতো অভিনেতাদের মধ্যে সবার নজর কেড়েছেন আকাঙ্ক্ষা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারকাবহুল ছবির ইতিবাচক দিক হচ্ছে একাধিক ভালো অভিনেতার সঙ্গে এখানে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি। তাঁদের থেকে কিছু না কিছু শেখার সুযোগ পাচ্ছি। ভালো অভিনেতাদের সাহচর্যে নিজের অভিনয়ক্ষমতা আরও ভালো হয়ে ওঠে। আমার নিজের প্রতিভার ওপর আস্থা আছে। সুযোগ পেলে যা খুশি তা-ই করতে পারি।’

সবে ক্যারিয়ার শুরু করেছেন আকাঙ্ক্ষা। আগামী দিনে কেমন ধরনের ছবিতে অভিনয় করতে চান, জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার চাওয়া পরিষ্কার, আমি শুধু “আইক্যান্ডি” হতে চাই না। শুধু নাচ-গান করতে চাই না। পারফর্ম করতে চাই। তাই এ ধরনের কোনো সুযোগ এলেই আমি তা করছি। এখন আমি আমার ক্যারিয়ার শুরু করতে চলেছি। তাই সেসব কাহিনি নির্বাচন করছি, যেখানে অভিনয়ের ক্ষমতা দেখাতে পারব। কিছু সময় পর হয়তো চরিত্র নিয়ে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারব।’

অল্পবিস্তর পরিচিতির জন্য ওটিটিকে সাধুবাদ দিতে চান আকাঙ্ক্ষা। তিনি বলেন, ‘ওটিটি না থাকলে এত দিন কোনো সুযোগ হয়তো পেতাম না। বোধ হয় এখনো কোথাও না কোথাও স্ক্রিন টেস্ট দিতাম। ওটিটির কারণে কত অভিনয়শিল্পী, লেখক, পরিচালক, টেকনিশিয়ান কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। এটা দারুণ ব্যাপার!’আকাঙ্ক্ষা মনে করেন, প্রতিযোগিতার যুগে তাঁর সবচেয়ে বড় প্রতিযোগী তিনি নিজে।

বলিউডের নবাগত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি প্রতিযোগিতায় বিশ্বাস করি। আমার প্রতিযোগিতা এটাই যে মানুষ আমাকে একজন ভালো অভিনয়শিল্পী হিসেবে জানুক। আমাকে সবাই যেন ভালোভাবে নেয়।’