বলিউডে অক্ষয় কুমার সর্বাধিক পারিশ্রমিক পাওয়া অন্যতম অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি। এটি নিয়ে তাঁর নামে রয়েছে অভিযোগ, এই অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের কারণে প্রযোজকেরা সিনেমার অনেক প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে পারেন না। ‘‘কাঠপুতলি’’ সিনেমায় সেই রকমই কাণ্ডই করে বসেছেন অক্ষয়। জানা যায়, সিনেমার ৮০ ভাগ অর্থ গিয়েছে অক্ষয়ের পকেটে। সেটা শাহরুখের পাঠান সিনেমার পারিশ্রমিকের চেয়ে তিনগুণ বেশি। সম্প্রতি এই পারিশ্রমিকের কথা আলোচনায় এলে এই নিয়ে মুখ খোলেন ‘কাঠপুতলি’র প্রযোজক জ্যাকি ভাগনানি।

বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, ‘কাঠপুতলি’ সিনেমার বাজেট ১৫০ কোটি রুপি। সিনেমাটি ১৮০ কোটি রুপি আয় করেছে। সিনেমার বাজেট থেকে ১২০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পেয়েছেন অক্ষয় কুমার, যা সিনেমাটির প্রায় ৮০ শতাংশ। একজনের পারিশ্রমিক সিনেমার বাজেটের সিংহভাগ দেওয়া নিয়ে সমালোচনায় পড়ে যায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রযোজক ভাগনানি গণমাধ্যমে বলেন, ‘যাঁরা তারকাদের ফি নিয়ে আলোচনা করেন, তাঁরা শুরুতেই একটি ভুল করে থাকেন। ইন্ডাস্ট্রির প্রত্যেক বড় অভিনেতাই ফিল্মের সফলতার ওপর থেকে ভাগ বসান। সে ক্ষেত্রে তাঁদের ওভার অল পারিশ্রমিক লভ্যাংশ দ্বারা নির্ধারিত হয়, তাঁদের অভিনীত সিনেমা বক্স অফিসে পারফরম্যান্স কেমন, তার ওপর নির্ভর করে। এখানেই প্রশ্ন, এটা কীভাবে এসআরকে, অক্ষয় কুমার, সালমান এবং অন্যান্য প্রধান অভিনেতাদের ক্ষেত্রে কাজ করে।’

ইকোনমিক টাইমস সূত্র বলছে, ‘পাঠান’ সিনেমায় শাহরুখ ৩৫ থেকে ৪০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। সেখানে অক্ষয়ের ‘কাঠপুতলি’ সিনেমার জন্য ১২০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পাওয়ার গুজব ছড়িয়েছে। সত্যই কি শাহরুখের তিন গুণ পারিশ্রমিক পেয়েছেন অক্ষয়? এই নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও ‘কাঠপুতলি’র প্রযোজক খোলাসা করে বলেন, ‘অনেক তারকাই ৫০ থেকে ৮০ ভাগ লভ্যাংশ চার্জ করেন। সুনির্দিষ্ট এই বিষয়ে কাউকে নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমি প্রযোজক হিসেবে অক্ষয়ের সঙ্গে চতুর্থ সিনেমার শুটিং করতে যাচ্ছি। যখন পারিশ্রমিকের প্রসঙ্গে আসে তখন বললেন, তাঁর সঙ্গে কাজ করে সব সময় একটা স্বচ্ছতা পেয়েছি।’