বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

নাঈম বলেন, ‘ঈদ কবে আসবে ঘনঘন এটা মাকে জিজ্ঞাসা করাটা ছিল স্বভাব। এই দিনে বন্ধু–আত্মীয়স্বজনের বাসায় ঘুরব। খেলাধুলা করব। সবার কাছ থেকে সালামি নেব। দেখা যেত, ঈদের নামাজ শেষ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মাথার ওপরে সূর্য। কী করব না করব, এগুলো ভাবতে ভাবতেই দিন শেষ। ঈদের দিনের ওপর তখন অভিমান হতো। কেন দিনটা বড় হয় না।’

default-image

এখনো ঈদ মানে আগের মতোই কিছুটা ঘোরাঘুরি। আত্মীয়স্বজনের বাসায় দাওয়াত খাওয়া। সুযোগ পেলে স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা আড্ডা দেওয়া। তবে এবার তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই। নাঈম বলেন, ‘করোনার মধ্যে এবার একদমই বাসায় দিনগুলো কাটানোর পরিকল্পনা। জানলা দিয়ে প্রকৃতি, বাইরের মানুষ দেখছি। ঈদের দিন পরিবারের ছেলে হিসেবে কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। কিন্তু করোনা নিয়ে কিছুটা চিন্তা হচ্ছে। ঢাকার বাইরে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত করোনা ছড়িয়ে গেছে। ঈদের পরে কী হবে, বুঝতে পারছি না। চাওয়া, সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক। নিরাপদ ও সুস্থ থাকুক।’

default-image

ঈদে তাঁর অভিনীত ১২টি নাটক প্রচারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ‘মুখোশ’ ‘ত্রিকোণমিতি’সহ একাধিক কাজ নিয়ে তিনি আশাবাদী। নাঈম বলেন, ‘ত্রিকোণমিতি নাটকের গল্প ব্যতিক্রম। আমার সহশিল্পী অপূর্ব ভাই ও সাবিলা নুর। মজার ব্যাপার হচ্ছে, অনেক দিন পর অপূর্ব ভাইয়ের সঙ্গে কাজ হলো। একসঙ্গে অভিনয় করতে এসে দেখলাম, অপূর্ব ভাই আগের মতোই আছেন। শুটিং সেটে এসে কীভাবে সবাইকে আপন করে নিতে হয়, এটা তিনি জানেন। হিরোইজম ব্যাপারটা তাঁর মধ্যে নেই। এই জন্য ইউনিটের মেম্বাররা তাঁকে ভালোবাসেন।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন