পরিচালক আওয়াল রেজা বলেন, ছবির সাত অভিনয়শিল্পী খুঁজে পেতে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছিলেন, এ ছাড়া কাজে লাগিয়েছেন নিজের থিয়েটারের যোগাযোগ। দেড় শ আবেদনকারী মধ্য থেকে সাতজনকে বেছে নিয়েছেন। ১৪ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে তাদের বয়স। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর আগে টানা ছয় মাস তাদের গ্রুমিং করা হয়েছে।

সাত কিশোর–কিশোরীর পারফরম্যান্সে পরিচালক সন্তুষ্ট, ‘গ্রুমিং থেকে যা শিখেছে, শুটিংয়ে সেভাবেই ডেলিভারি দিয়েছে। যেভাবে দেখিয়ে দিয়েছি, দ্রুতই ধরতে পেরেছে। ন্যাচারাল অভিনয় করেছে।’ ছবির সাত পাত্রপাত্রী হলো তই তই হিলালী, রাফিদ সরল, নাফিজ জাবির, রাজিত ইসলাম, অণিমা তাবাচ্ছুম, কিংবদন্তি চৌধুরী ও অদিতা ইসলাম।

১০ নভেম্বর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ‘মেঘ রোদ্দুর খেলা’। পরিচালক বলেন, ‘ছবিটি দেখে সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা প্রশংসা করেছেন। নতুন সাত কিশোর-কিশোরীর অভিনয় দেখে তাঁরা মুগ্ধ। শুটিংয়ের সময় আমারও মনে হয়েছে, এদের বেশ কয়েকজন ঢাকাই সিনেমায় প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’

ঢাকা ছাড়াও কুয়াকাটার ফাতরার বন, গঙ্গামতির চর, কলাপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় ছবিটির শুটিং হয়েছে। পরিচালক জানান, বনের মধ্যে কোনো কোনো জায়গায় শুটিং কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও গল্প বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে কোনো ছাড় দেননি তিনি।
সাত নবীন ছাড়াও ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন নাজনীন চুমকি, প্রাণ রায়, মাজনুন মিজান, সাহানাজ সুমি প্রমুখ।            

‘মেঘ রোদ্দুর খেলা’ বাংলাদেশ সরকারের ২০১৯-২০ সালের অনুদানের ছবি। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে বলে জানান চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক আওয়াল রেজা।