শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়া দিয়ে শেষ হবে ঢালিউডের ‘রাক্ষস’
ঢাকায় ১০ দিনের শুটিং শেষ হয়েছে ‘রাক্ষস’ ছবির। এরপর কয়েক দিনের বিরতি ছিল। আবার শুরু হয়েছে মেহেদী হাসান পরিচালিত ছবিটির শুটিং। তবে এবার আর দেশে নয়, ২৮ জনের টিম নিয়ে ‘রাক্ষস’ টিম গেছে শ্রীলঙ্কায়। টানা ১৮ দিনের শুটিং শেষ করে এরপর পুরো ইউনিট উড়াল দেবে মালয়েশিয়াতে। প্রথম আলোকে খবরটি জানিয়েছেন ‘রাক্ষস’ ছবির পরিচালক মেহেদী হাসান।
ঈদুল ফিতরে মুক্তির জন্য ‘রাক্ষস’ ছবির টিম প্রস্তুতি জোরেশোরে নিচ্ছে। জানুয়ারি মাসের মধ্যে ছবিটির পুরো শুটিং শেষ করতে চায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সেভাবেই এগোচ্ছে পরিচালক মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে পুরো টিম। এরই মধ্যে শুটিংয়ের ফাঁকে ছবির নায়ক সিয়ামের ফার্স্ট লুক প্রকাশিত হয়েছে। রাক্ষস ছবিতে সিয়ামের বিপরীতে অভিনয় করেছেন টালিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি।
পরিচালক সূত্রে জানা গেছে, দেশের অভিনয়শিল্পীর পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়াতে শুটিংয়ে থাকবেন কলকাতার সুস্মিতা চ্যাটার্জি। এর বাইরে খলচরিত্রের প্রধান অভিনেতা হিসেবে থাকবেন বলিউডের প্রথম সারির একজন। মেহেদী হাসান বললেন, ‘আমরা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সবাইকে গল্প শোনানো হয়েছে, চিত্রনাট্যও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কে হচ্ছেন খল চরিত্রের প্রধান অভিনেতা, তা জানতে আরও ৩–৪ দিন অপেক্ষা করতে হবে।’
‘রাক্ষস’ ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রিয়েল এনার্জি কমিউনিকেশন, এর আগে প্রতিষ্ঠানটি গেল বছরের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘বরবাদ’ প্রযোজনা করেছে। এদিকে পরিচালক জানিয়েছেন, ‘রাক্ষস’ মূলত এক অন্ধকার জগতের গল্প, যেখানে থাকবে প্রচুর ভায়োলেন্স ও রাফ ন্যারেটিভ, যা দেশীয় সিনেমায় খুব একটা দেখা যায় না।
এদিকে নতুন বছর নিয়ে সিয়ামের পরিকল্পনা বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী। তিনি তাঁর ভক্তদের নতুন চরিত্র ও গল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, এবার তিনি পর্দায় রীতিমতো আগুন ধরাতে আসছেন।
তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘একজন অভিনেতা হিসেবে সব সময় নিজেকে চ্যালেঞ্জ করাই আমার লক্ষ্য। দর্শকদের জন্য ভিন্ন স্বাদের চরিত্র, নতুন গল্প নিয়ে আসাটাই লক্ষ্য। এবার নতুন চ্যালেঞ্জের পালা—নতুন বছরে আপনাদের জন্য আসছে আরও নতুন কিছু চরিত্র, আরও নতুন গল্প। আমি সিনেমায় অভিনয় করি দর্শকদের জন্যই, দর্শকের ভালো লাগা-মন্দ লাগাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন। তাই নতুন বছরে এমন কিছু চরিত্র, এমন কিছু গল্পই হাতে নিয়েছি যেখানে রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে। তাই সিনেমা হলের সিটটা শক্ত করে ধরুন, পপকর্নের বক্সটা কাছে নিয়ে রাখুন, কারণ আমি পর্দায় আগুন ধরাতে আসছি।’