পরীমনির পরনে ছিল কফি রঙের জামদানি শাড়ি, গলায় মুক্তার মালা। কালো রোদচশমা চোখে ফরমাল কালো প্যান্টের সঙ্গে সাদা শার্ট পড়েছিলেন রাজ, ওপরে জড়িয়েছিলেন জ্যাকেট। পুরো অনুষ্ঠানে সারাক্ষণই দুজনকে পাশাপাশি দেখা গেছে।
তবে মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগেই প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন ঢাকাই ছবির এই তারকা দম্পতি। প্রথমেই রাজের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সংসার কেমন চলছে? প্রশ্ন শুনেই রাজের সেই স্বভাবসুলভ হাসি। উত্তর দিতেও সময় নিলেন না, ‘খুবই ভালো, ফ্যান্টাস্টিক, জোশ যাচ্ছে আমাদের সংসার। বলতে পারেন সুখ–আনন্দে আমাদের ঘর এখন ভরপুর।’

নিজের কথার সঙ্গে যোগ করে রাজ আরও বলেন, ‘সংসারজীবনে ঝুটঝামেলা থাকেই। এটি প্রায় সব সংসারেই হয়। আমি মনে করি, দাম্পত্যজীবনে একটু মান–অভিমান থাকলে ভালোবাসার গভীরতা বাড়ে। আমাদের বেড়েছে। হা হা হা...।’

সংসারজীবনে ঝুটঝামেলা থাকেই, রাজের কথা মিথ্যা নয়। কিন্তু পরীর রাগ বা অভিমান হলে কীভাবে ভাঙান? এমন প্রশ্ন করতেই সঙ্গে সঙ্গে পরীর গালে আলতো করে চুমু খান রাজ। চুমুতেই যে উত্তর লুকানো ছিল, তা বোঝা গেল তাঁর পরের কথায়, ‘এভাবে গালে আলতো চুমু দিয়ে পরীর রাগ–অভিমান ভাঙাই। আমি ওর সামনে এমনভাবে গিয়ে দাঁড়াই, সব রাগ-অভিমান যেন উড়ে যায় ওর। আমার ওপর রাগ–অভিমান করে থাকতে পারে না পরী। হা হা হা...।’

পাশে বসে রাজের কথা শুনছিলেন আর মিটিমিটি হাসছিলেন পরীমনি। এই অভিনেত্রী বললেন, ‘আমরা কী সুন্দর আছি, ভালো আছি, সেটা কি আমাদের দেখে বোঝা যাচ্ছে না? দোয়া রাখবেন, যাতে এভাবেই আমাদের সামনের জীবনটা সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়।’

রাজ ও পরীর সঙ্গে যখন আলাপ জমেছে, রাজ্য তখন আরেকজনের কোলে গভীর ঘুমে। অনুষ্ঠানে আসা এক অতিথির ছোট্ট শিশুকেও আদর করেন পরী ও রাজ। দুই মাস বয়সী শিশুটিকে তো পরী কোলছাড়াই করছিলেন না। রাজকে ডেকে নিয়ে পরী বলেন, ‘দেখো দেখো, কী সুন্দর বাচ্চাটা।’ মাথায় ও মুখে হাত রেখে বাচ্চাটাকে অনেকক্ষণ ধরেই আদর করেন, দুষ্টুমি করেন তাঁরা।