বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমন প্রশ্নে ইনামুল জানিয়েছিলেন, ‘জীবনে কতটা সফল হব, সেটা জানতাম না। তবে ছোট থেকেই জ্ঞানী মানুষদের আত্মজীবনী পড়ে তাঁদের কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতাম। তখন মনে হতো তাঁরা এত পরিচিত হয়েছেন কীভাবে, নিশ্চই এর পেছনে তাঁদের কর্ম রয়েছে। আমি ঠিক করলাম বড় বিজ্ঞানী, ভালো লেখকসহ অনেকের জীবন নিয়ে খুঁটিনাটি জানার চেষ্টা করব। শুরু করলাম পড়াশোনা। আমার বোধোদয় হলো, আমি যদি তাঁদের মতো নিরলসভাবে কোনো কাজ করে যেতে পারি, তাহলে আমিও পরিচিত হতে পারি। এই জন্য পরিশ্রম করে যেতে হয়েছে।’

ইনামুল হক সব সময় ভাবতেন, যা পেয়েছি এর চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার থাকতে পারে না। তাঁর যাপিত জীবন থেকেও তিনি শিক্ষা নিতে বলেছেন তরুণদের। তিনি সেই সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি কাজের মাধ্যমেই এগিয়ে গিয়েছি। আমি অকর্মা মানুষ নই। অকর্মা মানুষ থাকতেও চাই না। সব সময় কিছু না কিছু করে গেছি। সেটা যেমন দেশ বা সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য, তেমনি আমার পরিবারের জন্য।’

default-image

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তাঁকে অনেকবার শুনতে হয়েছে, শিক্ষকতা এবং নাটকের সঙ্গে কোনো বৈরিতা আছে কি না? এমন প্রশ্নে সব সময় ইনামুল হক বলতেন, ‘দুটোর মধ্যে কোনো বৈরিতা নেই। কারণ, সেখানেও একটা শিক্ষা। নাটকেও একটা শিক্ষা।’ এই শিক্ষা জীবনব্যাপী চালিয়ে গিয়েছেন।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন