আর্লিং হলান্ডকে মেসেজ পাঠিয়েছিলেন ‘স্পাইডার–ম্যান’, এরপর যা হলো

আর্লিং হলান্ড ও টম হল্যান্ড। কোলাজ

দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা। একজন এই সময়ের অন্যতম আলোচিত স্ট্রাইকার, অন্যজন পর্দায় ‘স্পাইডার–ম্যান’ হয়ে তরুণদের কাছে তুমুল জনপ্রিয়। তবে নরওয়ের আলোচিত স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড বিনোদন দুনিয়ার খোঁজখবর ভালোই রাখেন। সামনেই একটি অ্যানিমেশন প্রকল্পে কণ্ঠ দেবেন তিনি। অন্যজন টম হল্যান্ড খেলা নিয়েও তাঁর আগ্রহের কথা কারও অজানা নয়। দুজনের একবার যোগাযোগ হতে গিয়েও হয়নি। ‘দ্য ওডিসি’ সিনেমার প্রচারে এসে সে গল্পই বলেছেন টম হল্যান্ড।

আর্লিং হল্যান্ড। এএফপি

হলিউড তারকা টম হল্যান্ডের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাকেও যে কখনো কখনো ‘সিন’ খেয়ে বসে থাকতে হয়, সেটাই জানালেন তিনি নিজেই। নরওয়ের ফুটবল তারকা আর্লিং হলান্ডকে ইনস্টাগ্রামে সরাসরি বার্তা (ডিএম) পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাননি—সম্প্রতি সেই মজার অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন ‘স্পাইডার-ম্যান’ তারকা।
যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টক শো ‘দ্য টুনাইট শো স্টারিং জিমি ফ্যালন’-এ অতিথি হয়ে এসে এ বিষয়ে কথা বলেন হল্যান্ড। উপস্থাপক জিমি ফ্যালন যখন জানতে চান, হলান্ডকে বার্তা পাঠিয়ে কোনো উত্তর না পাওয়ার খবরটি সত্য কি না, তখন এককথায় অভিনেতা জবাব দেন, ‘হ্যাঁ।’

এরপর পুরো ঘটনাটিকে হাস্যরসের সঙ্গেই তুলে ধরেন হল্যান্ড। তাঁর ভাষায়, এই অভিজ্ঞতা তাঁকে মনে করিয়ে দিয়েছে যে তারকা হওয়া মানেই সবাই আপনার বার্তার উত্তর দেবে, এমন নয়।

‘দ্য অডিসি’র প্রিমিয়ারে টম হল্যান্ড। এএফপি

‘অভিনেতাদের জন্য এ ধরনের অভিজ্ঞতা খুবই দরকার,’ বলেন হল্যান্ড। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা ভাবি, ওকে একটা মেসেজ দিই, ডিনারে নিয়ে যাই। কিন্তু কোনো উত্তরই এল না। এমনকি “আজ ব্যস্ত আছি” বলেও না। একেবারে কিছুই না।’
হল্যান্ড জানান, ঘটনাটি ঘটেছিল মোনাকো গ্রাঁ প্রির সময়। তিনি সেখানে ফর্মুলা ওয়ানের কিংবদন্তি ড্রাইভার লুইস হ্যামিলটনের রেস দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানেই পাশের একটি হসপিটালিটি স্যুটে দেখতে পান ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডকে।

‘আমি মোনাকোতে ছিলাম। লুইসের রেস দেখছিলাম। দেখি, ও ঠিক পাশের একটি হসপিটালিটি স্যুটে বসে আছে। তখন ভাবলাম, একবার চেষ্টা করেই দেখি,’ বলেন হল্যান্ড।

আরও পড়ুন

যদিও সেই বার্তার কোনো উত্তর আসেনি, তবু এতে কোনো আক্ষেপ নেই অভিনেতার। জিমি ফ্যালন যখন জানতে চান, সুযোগ পেলে এখনো কি হলান্ডকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানাবেন, তখন মজার ছলে হল্যান্ড বলেন, ‘সেদিনের পর মনে হয় না, ও আমার সঙ্গে ডিনারে যেতে চাইবে।’

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে নারী ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ইংল্যান্ডের কাছে নরওয়ের হারের প্রসঙ্গ উঠেছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রসিকতা করেন হল্যান্ড।

তবে শেষ পর্যন্ত নরওয়ের এই ফুটবল তারকার প্রশংসাই করেছেন তিনি। হল্যান্ড বলেন, ‘সে সত্যিকারের পেশাদার। অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। একেবারে কিংবদন্তি।’

পেক্স সিক্স অবলম্বনে