জানিয়েছেন, শুরুর সময় যখন অভিনয়ে সুযোগ পেতে লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়েছিলেন, তখন হলিউড ছবির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি তাঁকে নানা ধরনের পরামর্শ দেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল, ওজন কমিয়ে শরীরকে ‘কাঙ্ক্ষিত গঠন’-এ নিয়ে আসা। তবে ফ্লোরেন্স সেসব কথা শোনেননি।


তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে করি যে পরামর্শগুলো শুনিনি। তাঁরা আমার ওজন কমাতে বলুক, চেহারা, মুখের গঠন বা ভ্রুর গঠন বদলাতে বলুক, আমি সেটা করতে চাই না।’

২০১৪ সালে ‘দ্য ফলিং’ সিনেমায় প্রথমবার বড় চরিত্রে অভিনয় করেন ফ্লোরেন্স পিউ। কিন্তু ছবিটি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। তখন অভিনেত্রীর মনে হয়েছিল, তিনি ভুল পেশায় এসেছেন।


সে সময়ের অভিজ্ঞতা মনে করে ফ্লোরেন্স বলেন, ‘মনে হয়েছিল সিনেমায় আমার অভিজ্ঞতা “দ্য ফলিং”-এর মতোই হবে। আমি এ পেশায় এসে বড় ভুল করেছি।’

তবে শুরুর দিকে ব্যর্থ হলেও দ্রুতই মনের মতো চরিত্র পান, একের পর এক সাফল্য দিয়ে পরিচিতি পান ফ্লোরেন্স পিউ। এ জন্য নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন তিনি।
আগামী বছর ফ্লোরেন্স পিউকে দেখা যাবে ‘আ গুড পারসন’, ‘ওপেনহাইমার’, ‘ডিউন : পার্ট টু’র মতো ছবিতে।