গোপন বিয়ে, রহস্যময় পোস্ট এবং বিচ্ছেদ—পাঁচ মাসেই কেন ভাঙল বাদশাহ-ইশার সংসার

বাদশাহ ও ইশা। ইনস্টাগ্রাম থেকে

মাত্র পাঁচ মাস। সময়ের হিসাবে খুব বেশি নয়। কিন্তু এই পাঁচ মাসেই ঘটেছে কত কিছু—গোপনে বিয়ে, বিয়ে নিয়ে দীর্ঘ জল্পনা, প্রকাশ্যে সম্পর্কের স্বীকৃতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রহস্যময় বার্তা, আবেগঘন পোস্ট, পারিবারিক ইঙ্গিত আর সবশেষে বিচ্ছেদের ঘোষণা। ভারতীয় র‍্যাপার বাদশাহ ও পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখির সম্পর্কের গল্প যেন কোনো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের চেয়ে কম নাটকীয় নয়।

৩১ আগস্ট রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই বিবৃতি প্রকাশ করে দুজন জানালেন, তাঁরা আর একসঙ্গে থাকছেন না। পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। আর এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো চলতি বছরের মার্চে শুরু হওয়া তাঁদের পাঁচ মাসের বৈবাহিক সম্পর্ক।

তবে এই বিচ্ছেদের খবর হঠাৎ করে আসেনি। কয়েক সপ্তাহ ধরে ইশার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং তাঁর মায়ের কিছু রহস্যময় মন্তব্য দেখে ভক্তদের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল—তাহলে কি বাদশাহ ও ইশার সংসারে সবকিছু ঠিক নেই?
শেষ পর্যন্ত সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে দুজনের যৌথ ঘোষণায়।

একই বিবৃতি, একই সিদ্ধান্ত
৩১ আগস্ট রাতে বাদশাহ ও ইশা নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই বক্তব্য প্রকাশ করেন। সেখানে তাঁরা জানান, পারস্পরিক সিদ্ধান্তেই তাঁরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, দুজনই নিজেদের পৃথক পথে এগিয়ে যেতে চান। সিদ্ধান্তটি পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে এবং এই সময়ে তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।

একই সঙ্গে তাঁরা স্পষ্ট করে দেন, বিচ্ছেদের বিষয়ে এটাই তাঁদের একমাত্র আনুষ্ঠানিক বক্তব্য। অর্থাৎ কেন এ সিদ্ধান্ত, তাঁদের সম্পর্কে কী ঘটেছিল কিংবা বিচ্ছেদের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা আছে কি না—এসব নিয়ে তাঁরা আর প্রকাশ্যে কথা বলবেন না।
এই নীরবতাই অবশ্য নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে। কারণ, বিচ্ছেদের আগের কয়েক সপ্তাহে ইশার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলো ছিল বেশ ইঙ্গিতপূর্ণ।

ঝড়ের কথা, প্রার্থনার কথা
জুলাই মাসে ইশা রিখি কয়েকটি ছবি নিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন। কিন্তু ছবির চেয়ে বেশি নজর কাড়ে তাঁর লেখা কথাগুলো।
তিনি লিখেছিলেন, প্রতিটি ঝড়ের মধ্যেই থাকে একটি শিক্ষা, আর প্রতিটি প্রার্থনার মধ্যে থাকে আশা। পোস্টের সঙ্গে ছিল ভাঙা হৃদয়ের প্রতীক।
এর পর থেকেই শুরু হয় জল্পনা।

সাধারণ কোনো আবেগঘন পোস্ট হিসেবেও এটিকে দেখা যেত। কিন্তু তারকাজীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিটি শব্দই কখনো কখনো আলাদা অর্থ তৈরি করে। বিশেষ করে যখন কোনো তারকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আগে থেকেই নানা প্রশ্ন ঘুরতে থাকে।
ইশার পোস্টের পর অনেকেই ভাবতে শুরু করেন, তাঁর দাম্পত্য জীবনে কি কোনো সংকট চলছে?
সেই প্রশ্নের উত্তর তখন অবশ্য কেউ দেননি।

মায়ের পোস্টে আরও রহস্য
জল্পনা আরও বাড়ে ইশার মা পুনম রিখির একটি পোস্ট ঘিরে। কর্মফল নিয়ে লেখা সেই পোস্ট ছিল যথেষ্ট কঠোর ভাষার।
সেখানে এমন ইঙ্গিত ছিল, কেউ অন্যের জীবন কঠিন করে তুললে একসময় তার ফল তাকে ভোগ করতে হয়।

পোস্টটি কার উদ্দেশে লেখা, তা স্পষ্ট করেননি পুনম। কিন্তু সময়টা ছিল এমন, যখন ইশার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছিল। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই পোস্টটির সঙ্গে ইশার বৈবাহিক জীবনের সম্ভাব্য সংকটের যোগসূত্র খুঁজতে শুরু করেন।

তারকা পরিবারে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য খুবই সংবেদনশীল বিষয়। ফলে ইশার মায়ের এই পোস্ট স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় আসে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাদশাহ বা ইশার কেউই তখন এসব জল্পনার কোনো প্রকাশ্য জবাব দেননি।

বাদশাহ ও ইশা। ইনস্টাগ্রাম থেকে

‘কিছু যুদ্ধের কোনো দৃশ্যমান ক্ষত থাকে না’
বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে ইশার আরেকটি পোস্ট নতুন করে আলোড়ন তোলে। নিজের জীবনের মানসিক ও আবেগের লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, কিছু যুদ্ধ আছে, যেগুলোর কোনো দৃশ্যমান ক্ষত থাকে না। দীর্ঘ সময় তিনি নীরব ছিলেন। কারণ, তিনি ভয় পেয়েছিলেন।

ইশা লিখেছিলেন, স্বামীর প্রভাব, ক্ষমতা ও সামর্থ্যের কথা ভেবে তিনি মনে করেছিলেন, চুপ থাকাই হয়তো সবচেয়ে নিরাপদ পথ। এ বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আরও বড় হয়ে ওঠে।

তাঁর কথাগুলো কি শুধুই ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ ছিল? নাকি এর সঙ্গে তাঁর দাম্পত্য জীবনের কোনো সম্পর্ক রয়েছে?

এর কোনো স্পষ্ট উত্তর অবশ্য পাওয়া যায়নি। কারণ, বিচ্ছেদের যৌথ বিবৃতিতে বাদশাহ ও ইশা কেবল তাঁদের আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন। সম্পর্ক ভাঙার কারণ নিয়ে তাঁরা কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলো নিয়ে যত আলোচনা হোক না কেন, সম্পর্কের ভাঙনের নির্দিষ্ট কারণ নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলার সুযোগ নেই।

যে বিয়ে ছিল গোপন
২০২৬ সালের মার্চে বাদশাহ ও ইশার বিয়ে হয়। তবে শুরু থেকেই তাঁদের বিয়েটি ছিল অত্যন্ত ব্যক্তিগত। তারকা বিয়ের ক্ষেত্রে যেখানে ছবি, ভিডিও, অতিথিদের তালিকা ও আয়োজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সরব হয়ে ওঠে, সেখানে বাদশাহ ও ইশার বিয়ের গল্প ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

কোনো বড় আয়োজনের ছবি সামনে আসেনি। দুজনও শুরুতে প্রকাশ্যে বিয়ের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। তবে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন অবশ্য নতুন ছিল না।

২০২৩ সালে বিয়ের গুঞ্জন, বাদশাহর তীব্র প্রতিক্রিয়া
বাদশাহ ও ইশার বিয়ে নিয়ে প্রথম বড় ধরনের গুঞ্জন ছড়ায় ২০২৩ সালে। সেই সময় বিভিন্ন মাধ্যমে খবর আসে, বাদশাহ নাকি বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু তখন সরাসরি বিষয়টি অস্বীকার করেন এই র‍্যাপার।

ইশা রিখি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বেশ বিরক্তির সুরে জানান, তিনি বিয়ে করছেন না। এমন ভিত্তিহীন খবর ছড়ানো বন্ধ করার কথাও বলেন।
তখনকার সেই অস্বীকারের পর বিয়ের গুঞ্জন অনেকটাই থেমে যায়।
কিন্তু তিন বছর পর, ২০২৬ সালে এসে দেখা গেল, এবার সত্যিই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন বাদশাহ। শুধু সেই অধ্যায় খুব বেশি দিন স্থায়ী হলো না।

‘হ্যাঁ, আমি বিবাহিত’
বিয়ের কয়েক মাস পরও বাদশাহ ও ইশা তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি। অবশেষে জুন মাসে ইনস্টাগ্রামে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেন ইশা।

তাঁর কাছে তখন একের পর এক প্রশ্ন আসছিল। তিনি কি বিয়ে করেছেন? বাদশাহর সঙ্গেই কি তাঁর বিয়ে? তাঁরা কেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে অনুসরণ করেন না? তাঁরা একসঙ্গে ছবি পোস্ট করেন না কেন? এত প্রশ্নের পর শেষ পর্যন্ত ইশা সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট উত্তর দেন—হ্যাঁ, তিনি বিবাহিত।

এই স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়েই মূলত বাদশাহ-ইশার বিয়ের জল্পনার আনুষ্ঠানিক অবসান হয়। তবে তাঁদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আচরণ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল তখনো ছিল।

স্বামীর উদ্দেশে ইশার মজার মন্তব্য
প্রশ্নোত্তর পর্বে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে তাঁদের একে অপরকে অনুসরণ না করার বিষয়টি। ইশা তখন মজার ছলে বলেন, এ প্রশ্নের উত্তর আসলে তাঁর স্বামীর দেওয়া উচিত।

বাদশাহকে ‘পতি দেব’ বলে সম্বোধন করে তিনি ইঙ্গিত দেন, দর্শকদের অনেক প্রশ্ন আছে এবং সেগুলোর উত্তর দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর সেই পোস্টে ছিল হাসির ইমোজি।
তখন অনেকেই বিষয়টিকে তাঁদের সম্পর্কের ব্যক্তিগত পছন্দ হিসেবেই দেখেছিলেন। তারকা দম্পতিদের সবাই যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে অনুসরণ করবেন, এমন কোনো নিয়ম নেই।

কিন্তু মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে যখন তাঁদের বিচ্ছেদের খবর সামনে এল, তখন পুরোনো সেই পোস্টগুলোও নতুন করে আলোচনায় আসে।
মানুষ অতীতের ছোট ছোট ঘটনাকে নতুন ঘটনার আলোকে ব্যাখ্যা করতে শুরু করে। বাদশাহ-ইশার ক্ষেত্রেও সেটিই হয়েছে।

আরও পড়ুন

পাঁচ মাসের সম্পর্কে এত প্রশ্ন কেন
তারকা দম্পতিদের বিচ্ছেদ নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু বাদশাহ ও ইশার সম্পর্ক নিয়ে মানুষের আগ্রহের কারণ ছিল এর সময়কাল এবং ঘটনাপ্রবাহ। প্রথমত, বিয়েটি ছিল গোপন। দ্বিতীয়ত, বিয়ের কয়েক মাস পর সেটি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়।
তৃতীয়ত, দাম্পত্য জীবনে সমস্যার গুঞ্জনের আগে ইশার একাধিক আবেগঘন ও রহস্যময় পোস্ট সামনে আসে। চতুর্থত, ইশার মায়ের একটি পোস্ট জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করে। আর সবশেষে, দুজন একই সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন।
সব মিলিয়ে ঘটনাগুলো এত দ্রুত ঘটেছে যে তাঁদের সম্পর্কের পাঁচ মাস যেন অনেক দীর্ঘ একটি গল্পের মতো হয়ে উঠেছে।

র‍্যাপার বাদশাহ। এক্স থেকে

বাদশাহর জীবনে দ্বিতীয় বিয়ে
ইশার সঙ্গে বিয়ে ছিল বাদশাহর দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে তিনি জেসমিন মাসিহকে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের একটি মেয়ে রয়েছে, জেসেমি গ্রেস মাসিহ সিং। ২০১৭ সালে জন্ম হয় তাঁর।

বাদশাহ ও জেসমিনের বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ হয় ২০২০ সালে। এরপর বেশ কিছু বছর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি প্রকাশ্যে কথা বলেননি বাদশাহ। সংগীত, র‍্যাপ ও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েই তিনি ছিলেন আলোচনায়।
পরে ইশার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং বিয়ের খবর সামনে আসে। তাই দ্বিতীয়বার বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই বাদশাহর ব্যক্তিগত জীবনকে আবার আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

ইশা রিখি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

পাঞ্জাবি সিনেমা থেকে ইশার যাত্রা
ইশা রিখি পাঞ্জাবি চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ। ১৯৯৩ সালে চণ্ডীগড় শহরে জন্মগ্রহণ করেন ইশা রিখি। বাবা প্রদীপ কুমার রিখি ও মা পুনম রিখির পরিবারে বেড়ে ওঠা ইশার শোবিজে আসার গল্পটা বেশ মজার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ছোটবেলায় অভিনয় করার কোনো স্বপ্ন ছিল না তাঁর। বরং মডেলিংয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল পরিবারের। বিশেষ করে তাঁর বাবা চেয়েছিলেন মেয়েকে একজন সফল মডেল হিসেবে দেখতে। সেই সূত্র ধরেই বিনোদনজগতে প্রবেশ।

মডেলিংয়ের কাজ করতে করতেই অভিনয়ের প্রস্তাব আসে। প্রথমে দ্বিধা থাকলেও পরে অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
পাঞ্জাবি সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘জাট অ্যান্ড জুলিয়েট’-এ ছোট একটি উপস্থিতির মাধ্যমে দর্শকের নজরে আসেন ইশা। এরপর ২০১৩ সালে ‘জাট বয়েজ পুত জাট দে’ ছবিতে অভিনেতা সিপ্পি গিলের বিপরীতে প্রথম বড় চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান।

সেই ছবির সাফল্য তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে একের পর এক পাঞ্জাবি সিনেমায় অভিনয় করে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘হ্যাপি গো লাকি’, ‘হোয়াট দ্য জ্যাট!!’, ‘দেশি মুন্ডে’, ‘আরদাস’ ইত্যাদি।
এ ছাড়া অনেক মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেছেন তিনি। পাঞ্জাবি বিনোদন অঙ্গনে তাঁর জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

পাঞ্জাবি ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর বলিউডেও সুযোগ আসে ইশার। ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘নওয়াবজাদে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে তাঁর। ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন রাঘব জুয়াল ও পুনিশ পাঠক। তখন অবশ্য কেউ ভাবেনি, কয়েক বছর পর সেই বাদশাহই তাঁর জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবেন।

ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে