ছোটবেলা থেকেই এই মার্কিন গায়িকার ভক্ত আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলসের যুবক ব্রায়ান রে। প্রথমে নাকের আকৃতি পরিবর্তনের জন্য দুটি অস্ত্রোপচার করান তিনি। পরে গাল, ঠোঁট ও চোখের পাতার পরিবর্তনের জন্য আবার অস্ত্রোপচার করান। এ ছাড়া বছরে দুইবার বোটক্স ও ফিলারও করান। দুই মাস পরপর মুখের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের জন্যও অস্ত্রোপচার করান তিনি।


ব্রায়ান রে বলেন, ‘যখন আয়নায় নিজেকে দেখি খুব খুশি হই, নিজেকে প্রশ্ন করি, আমাকে কি নিখুঁত লাগছে? তারপর মনে হয়, না।’

ব্রিটনি স্পিয়ার্স হতে এ পর্যন্ত শতাধিক অস্ত্রোপচার করিয়েছেন ব্রায়ান। তারপরও তাঁর প্রিয় তারকার মতো হতে তাঁর চেষ্টা শেষ হয়নি। ব্রায়ান বলেন, ‘হুবহু ব্রিটনির মতো হতে পারব, এমন কিছু কখনোই  মাথায় ছিল না। আমি চাই শুধু যতটা সম্ভব তাঁর মতো হতে। মানুষ আমাকে বোঝে না। তারা আমাকে পাগল বলে। আমি এসব নিয়ে ভাবি না।’


প্রিয় তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্সের সঙ্গে ব্রায়ান রের বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ হয়েছে। ব্রায়ান রে জানান, যখনই ব্রিটনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, প্রতিবার ব্রিটনি খু্ব সাধারণ সাজে ছিলেন। ব্রায়ান বলেন, ‘তিনি আমার জীবনের একটি বড় অংশ। আমি আজীবন তাঁর ভক্ত হয়ে থাকব।’

ব্রায়ান রে এখন চোখের মণির রং পরিবর্তন করতে চান। লেজার বিম সার্জারির মাধ্যমে মণির রং বদলানো সম্ভব। এই অস্ত্রোপচারে ব্রায়ানের দৃষ্টিশক্তিও চলে যেতে পারে। ইতিমধ্যে এক বন্ধুর মাধ্যমে ভালো চিকিৎসকের খোঁজ পেয়ে গেছেন ব্রায়ান।
এই ভক্ত যেন সব সীমাই ছাড়িয়ে গেছেন। হুবহু ব্রিটনির মতো হতে তিনি খরচ করেছেন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ডলার। ১৮ বছর আগে তিনি এই রূপান্তরের কাজ শুরু করেছেন।


ব্রিটনির মতো হতে গিয়ে শতাধিক অস্ত্রোপচার করতে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটির বেশি টাকা খরচ হয়েছে ব্রায়ানের।