বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গত ২৫ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হন ডেইজি আহমেদ। আগস্টে সেরে ওঠেন। কিন্তু করোনাজনিত শারীরিক কিছু জটিলতা থেকেই যায়। সেটাই ক্রমে বাড়তে থাকে। তাহসিন ফারজানা বলেন, ‘১ সেপ্টেম্বর রাতে হঠাৎই জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। অনেক সময় পরে বুঝতে পারেন, ঠান্ডা লাগছে। কিন্তু কী হয়েছিল, কিছুই মনে ছিল না। এর পর থেকে আম্মার শ্বাসকষ্টের সঙ্গে অন্যান্য জটিলতা বাড়তে শুরু করে। দ্রুত তাঁকে আমরা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই।’

default-image

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তাহসিন ফারজানা বলেন, ‘চিকিৎসকেরা পেসমেকার লাগানোর কথা বলছেন। কিন্তু মায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে পেসমেকার লাগানোর মতো অবস্থা নেই। তবে শ্বাসকষ্ট কমে গেলে লাগানোর দরকার নেই। এ ছাড়া তাঁরা (চিকিৎসকেরা) এনজিওগ্রাম করেছিলেন। হার্টের অন্য কোনো সমস্যা নেই। তাঁরা অবজারবেশনে রেখেছেন। অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। শ্বাসকষ্ট নিয়েই সবাই বেশি চিন্তিত।’
ডেইজি আহমেদ প্রয়াত অভিনেতা বুলবুল আহমেদের স্ত্রী এবং অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা আহমেদের মা।

default-image

চার দিন ধরে সিসিইউতে আছেন ডেইজি আহমেদ। ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না। তাঁর স্বাস্থ্যও ভেঙে পড়েছে। কিছুই খেতে পারছেন না। তাহসিন ফারজানা বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তির পরে চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, তাঁর ফুসফুসে পানি জমেছিল। হৃদ্‌স্পন্দন কমে যাওয়ায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। মায়ের সঙ্গে কিছুটা কথা বলার চেষ্টা করি। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন