আপনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, মনটা কেমন নরম হয়ে গেল ছবিটা দেখে, তোমাকে একটু জড়িয়ে ধরে আদর করে দিতে ইচ্ছে করল।’ এমন স্ট্যাটাস প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রুনা খান বলেন, ‘মিঠু আপার সঙ্গে যাঁরা কাজ করেছেন তাঁরা জানেন, খুবই প্রাণোচ্ছল ও পরিশ্রমী একজন মানুষ। এই মানুষটির মধ্য শিশুর মতো সরলতা আছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করলে এই উচ্ছ্বাস, সরলতা অন্যকেও প্রভাবিত করে। তিনি শুটিংয়ে সরল মনে এমন সব কথা বলেন, যেগুলো একদম বাচ্চাদের মতো। তখন হাসি আটকে রাখতে পারছিলাম না। জীবনের এত জটিলতার ভিড়ে মিঠু আপার কথা শুনে মনটা নরম হয়েছিল। তখন হেসে উঠেছিলাম, এটুকু মনে আছে। মনে হয়েছিল, মিঠু আপাকে জড়িয়ে ধরে আদর করি। শুটিংয়ে এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যায়। যিনি নিজের জীবনের যোদ্ধা। এমন নারীদের আমি শ্রদ্ধা করি।’

মনিরা মিঠু ও রুনা খানের পরিচয়ের গল্পটাও মজার। আড়াই বছর আগে দেখা হলে হাই হ্যালো হতো। শিল্পী হিসেবে সম্পর্ক বলতে এটুকুই। এর বাইরে কথা হতো না। এখন নিয়মিত কথা হয়। সেই সম্পর্ক এখন বড় বোনের জায়গা দখল করেছে। রুনা বলেন, ‘আমাদের পরিচয় অনেক আগে থেকে। ফ্যামিলি ক্রাইসিস নাটকের শুটিং করতে গিয়ে এখন আমরা অবিচ্ছেদ্য অংশ। একদম পরিবারের মতো। আপন বোনের মতো অভিভাবক তিনি। এই ধারাবাহিক নাটকে শুটিং করতে গিয়ে মিঠু আপাকে আমার পরিবারের অংশ মনে করি। শবনম ফারিয়া, সারিকা সাবাহ্, তারাও আমার বোনের মতো। ভালো মানুষের ভালো সম্পর্ক অমূল্য। কাজ করতে গিয়ে এমন কিছু ভালো মানুষ জীবনে পাওয়া শুধুই কাজের সহকর্মী থাকে না, তারা জীবনের অংশ হয়ে যায়। এটা দারুণ ব্যাপার। এ জন্য পরিচালক মোস্তফা কামাল রাজের কাছে কৃতজ্ঞ।’
‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’ নাটকে মনিরা মিঠু ছিলেন রুনা খানের খালাশাশুড়ির চরিত্রে। এখন প্রচার চলছে নাটকটির সিক্যুয়েল ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস রিলোডেড’।

ধারাবাহিকটিতে নতুন গল্প হলেও চরিত্রের নাম একই। গল্পে তাঁরা এবার মা–মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন। তিন বোনের চরিত্রে অভিনয় করছেন রুনা খান, শবনম ফারিয়া, সারিকা সাবাহ্। যাদের বাবা নেই। তিন মেয়ে নিয়ে মায়ের সংগ্রাম দিয়েই শুরু হয় গল্প। সমসাময়িক নাগরিক সংকট তুলে ধরায় গল্পটি দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নাটকটি এটিএন বাংলায় প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার প্রচারিত হয়।