বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আসলে প্রথম দিকে বইয়ের কোনো পৃষ্ঠা নম্বর থাকত না। বইয়ের নাম লেখা পাতার প্রচলন প্রায় ১৫০০ সালের কাছাকাছি সময়ে। ইউরোপে বই ছাপার প্রসার ঘটার সঙ্গে সঙ্গে পাতার নম্বর, কোন পাতায় কী থাকবে প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধিমালা তৈরি হতে থাকে। এসব ব্যাপারে নির্দেশনা রয়েছে রবার্ট ম্যালকম গে–র ওয়ার্ডস ইনটু টাইপ বইয়ে। বইটিতে প্রকাশনাবিষয়ক নিয়মনীতির বিশদ বর্ণনা পাওয়া যায়। ফলে এটি বই প্রকাশনা সংশ্লিষ্টদের কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

default-image

সে যা হোক, সামান্য পর্যবেক্ষণ করলে বোঝা যাবে যে বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো থাকে ডান পাশের পাতায়। যেমন বইয়ের নাম, উৎসর্গ, ভূমিকা প্রভৃতি। বাঁ পাশে থাকে প্রকাশনা, মুদ্রণ, স্বত্ব প্রভৃতি বিষয়ের তথ্য। বইয়ের শুরুর দিকের কয়েকটি পাতার বাঁ পাশ ফাঁকাই থাকে। এরপর বইয়ের মূল অংশ শুরু হয় ডান পাশে, যার পৃষ্ঠা নম্বর ১, যেটা বেজোড় সংখ্যা।

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন