বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এসব সামুদ্রিক উপাদানের শাঁস ব্যবহার করেই গয়না বানায় ‘মনসিজ ক্র্যাফট’। তাদের অলংকার তৈরির প্রধান উপকরণ কড়ি, শামুক, ঝিনুক, করতাল, চাষের মুক্তা ও সামুদ্রিক পাথর। অলংকারের নকশা হিসেবে কখনো জ্যামিতিক ফর্ম, আবার কখনো প্রাকৃতিক আকৃতি অক্ষুণ্ন রেখেই এগুলো দিয়ে বানানো হয়েছে গয়না।

default-image

এত কিছু থাকতে কেন সামুদ্রিক শেলে গয়না? এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার সাদিয়া শারমিন বলেন, ‘প্রাচীনকাল থেকে প্রকৃতি প্রদত্ত সংগ্রহকে কেন্দ্র করে মানুষ নিজেকে সাজাতে পছন্দ করে। প্রাচীন সভ্যতা, অর্থনীতি ও সামাজিক অনেক কাজেই সামুদ্রিক শাঁসকে আশীর্বাদ মনে করা হয়। আপনি যে ফ্যাশন ধারণ করবেন, সেটির যদি কোনো মৌলিক ইতিহাস থেকে থাকে, তবে সেই ফ্যাশন ধারণের মাধ্যমে আপনি হয়ে উঠবেন আকর্ষণীয়, সবার মধে৵ সবার চেয়ে আলাদা। নিজেকে অন্যান্য গয়না ব্যবসায়ী থেকে আলাদা করতেই কাঁচামাল হিসেবে বেছে নিয়েছি সামুদ্রিক উপাদান।’

default-image

জাঁকজমকপূর্ণ কিংবা সামাজিক ছোট–বড় যেকোনো অনুষ্ঠানে শাড়ি, সালোয়ার–কামিজ বা পশ্চিমা পোশাকের সঙ্গে দিব্যি মানিয়ে যাবে কড়ির মালা। বিশেষ করে সুতি, খাদি, বাটিক, টাইডাই ও তসরের পোশাকে যেকোনো বয়সের নারী পরতে পারেন এসব গয়না। এতে রুচি আর ব্যক্তিত্বে স্বাতন্ত্র ফুটে উঠবে। কানের দুল, লকেট ও নেকলেসের দাম পড়বে ৩০০ থেকে ৩০০০ টাকা।

default-image
লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন