হয়ে গেল উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের বৈশাখী উৎসব ‘এসো হে বৈশাখ’

আজ ১৩ এপ্রিল উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে উদ্‌যাপিত হলো ‘বৈশাখী উৎসব’। পয়লা বৈশাখের এক দিন আগে আয়োজনটি বসেছিল রাজধানীর বনানী মডেল টাউনে।

উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে উদ্‌যাপিত হলো ‘বৈশাখী উৎসব’
ছবি: উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সৌজন্যে

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব কনা রেজা। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী ‘বৈশাখী থালা প্রতিযোগিতা’। প্রতিযোগীরা বৈশাখী খাবারের নান্দনিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ছিল কড়ি, লুডুখেলাসহ বিভিন্ন দেশীয় খেলাধুলার আয়োজন।

অনুষ্ঠানস্থলে বৈশাখী ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমাহার ছিল উৎসবের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় বাঙালির প্রিয় সব ঐতিহ্যবাহী খাবার।

আরও পড়ুন
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব কনা রেজা (বাঁ থেকে তৃতীয়)
ছবি: উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সৌজন্যে

মিষ্টান্ন ও নাশতায় ছিল নারকেলের নাড়ু, তিলের নাড়ু, হাওয়াই মিঠাই, চিনির খেলনা ও মুরালি।

ঐতিহ্যবাহী খাবারের তালিকায় ছিল বাহারি পান্তা, বিভিন্ন ধরনের দেশি মাছ ভাজা, নানা পদের ভর্তা এবং ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির সমাহার।

নারীদের রন্ধনশৈলীকে পেশাদার প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা এবং দেশীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য
ছবি: উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সৌজন্যে

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কনা রেজা বলেন, ‘বাঙালির শিকড়ের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও খেলাধুলাকে নতুনভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারি।’

উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আয়োজকেরা জানান, নারীদের রন্ধনশৈলীকে পেশাদার প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা এবং দেশীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন