যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারেন। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার যেকোনো একটিতে জিপিএ-৫-সহ ন্যূনতম ৮ পয়েন্ট থাকতে হবে। ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। যেকোনো বিষয়ে স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারেন। পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ থাকতে হবে। সিজিপিএ-৪-এর মধ্যে ২.২৫ থাকা চাই। আইসিএবির স্টুডেন্ট কাউন্সেলিং ও প্লেসমেন্টের উপপরিচালক এস এম আবদুস শাকুর জানান, সরকার স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরা সিএর জন্য আবেদন করতে পারেন। যাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে স্নাতক পড়ছেন, তাঁরাও ‘প্রিআর্টিকেলশিপ’ কর্মসূচির আওতায় সিএতে ভর্তি হতে পারেন।

কোথায় করা যায়: ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠান বা ফার্মের সঙ্গে যুক্ত হতে হয়। যেসব ফার্মে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব যাচাই করা হয়, শিক্ষার্থীকে সেখানে হাতে-কলমে নিরীক্ষাসংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। রাজশাহী, রংপুর ও খুলনায়ও এখন সিএর সেন্টার আছে।

কেন প্রয়োজন: সিএ ডিগ্রিপ্রাপ্তরা সরকারি–বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীল পদে কাজ করেন। নানা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন আর্থিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ, নিরীক্ষা বিভাগ, ট্যাক্স ও আর্থিক প্রশাসনসহ বিভিন্ন বিভাগে একজন সিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

খরচ: আইসিএবিতে সিএ ডিগ্রির জন্য নিবন্ধন ব্যয় ২৮ হাজার ৪০০ টাকা। পাঠ্যবই, কোচিং ফি ও গ্রন্থাগার ব্যবহারের জন্য এ ফি নেওয়া হয়। বিভিন্ন লেভেলে পরীক্ষার জন্য বিষয় প্রতি ফি দিতে হবে। প্রফেশনাল লেভেলে থাকে বেশ কয়েকটি বিষয়। প্রফেশনাল লেভেলের বিষয় ফি দিতে হয়। সর্বশেষ অ্যাডভান্সড লেভেলে পাঠ্য বিষয় ও কেস স্টাডির জন্যও ফি আছে। সব মিলিয়ে সিএ ডিগ্রি অর্জনের জন্য ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

আরও তথ্য: সিএ ডিগ্রিসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানতে ঢাকার কারওয়ান বাজারে সিএ ভবন ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। এ ছাড়া আইসিএবির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট www.icab.org.bd থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।