শিক্ষা থেকে শুরু করে পেশাজীবন, তাঁর সবটাই কেটেছে জেনারেল মোটরসের সঙ্গে। জেনারেল মোটরস ইনস্টিটিউট (বর্তমানে কেটেরিং ইউনিভার্সিটি) থেকে স্নাতক করেছেন। পরে জেনারেল মোটরসের ফেলোশিপ নিয়েই তিনি স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেছেন। একটু একটু করে এগোতে এগোতে ২০১৪ সালে তিনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পান। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় তিনটি অটোমোবাইল কোম্পানির মধ্যে (বিগ থ্রি নামে পরিচিত) তিনিই একমাত্র নারী সিইও। শুধু তা–ই নয়, গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সিইওদের মধ্যে তাঁর বেতন সবচেয়ে বেশি। ২০১৮ সালে ফোর্বস সাময়িকী তাঁকে বিশ্বের চতুর্থ প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০২১ সালে টাইম সাময়িকীর করা প্রভাবশালী মানুষের তালিকায়ও স্থান পেয়েছেন তিনি।

মজার ব্যাপার হলো, মেরির টেবিলে নাকি সব সময় বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের একটা ববলহেড (স্প্রিং লাগানো একধরনের পুতুল) থাকে। বেশ কয়েকটা খেলনা গাড়িও টেবিলে রাখেন তিনি।

কীভাবে একজন সফল নেতা হওয়া যায়? এমন প্রশ্নের উত্তরে মেরি সব সময় বলেন, ‘কৃতিত্ব কখনো একা নেবেন না। আপনার পুরো টিমকে কৃতিত্ব দিন।’

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন