সুখী হওয়ার সহজ উপায়

একজন হলেও এমন মানুষ থাকুক, যে আপনার সত্যিকারের আপনজন। মডেল: শুভ ও জারাছবি: সুমন ইউসুফ

সুখ কোনো গন্তব্য নয়, এটা একধরনের অভ্যাস। তাই আপনি সুখী হবেন কি না, তা অনেকটাই আপনার নিজের ওপর নির্ভর করে। সুখ মানে অনেক কিছু পেয়ে যাওয়া বা সবকিছু নিখুঁত হওয়া নয়। বরং সুখ হলো ছোট ছোট মুহূর্তে আনন্দ খুঁজে নেওয়ার ক্ষমতা।

১. সম্পর্কই সবচেয়ে বড় সম্পদ
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত ৮৫ বছর ধরে চলা এক গবেষণা জানিয়েছে, ধনী হওয়া বা সফল ক্যারিয়ার গড়ার চেয়ে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ভালোবাসা, আস্থা আর নির্ভরশীলতার সম্পর্ক সুখের সবচেয়ে শক্তিশালী নির্ধারক।

২. যেটুকু আছে, সেটুকুর জন্যই কৃতজ্ঞ হোন
প্রতিদিন অন্তত একটি জিনিসের জন্য হলেও কৃতজ্ঞ হোন। দৈনিক কৃতজ্ঞতার চর্চা করা হলে মন ধীরে ধীরে নেতিবাচকতা থেকে বেরিয়ে আসবে। আর একটা নেতিবাচক মন থেকে ইতিবাচক মনের পক্ষে সুখী হওয়া ঢের সহজ। কৃতজ্ঞতা মনকে শান্ত করে ও সুখ বাড়ায়।

৩. সংখ্যার চেয়ে গুণমানের ওপর জোর
একজন হলেও এমন মানুষ থাকুক, যে আপনার সত্যিকারের আপনজন। নিজের সার্কেল ছোট রাখুন। ‘সামাজিক ফিটনেস’ (সুস্থ সামাজিক সম্পর্ক)-এর চর্চা করুন, তবে প্রয়োজনে দেয়াল তুলতে দ্বিধা করবেন না। পরিমিত, ভালো ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান। সুস্থ শরীর আর ইতিবাচক মনের অবস্থান সব সুখের একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে। ‘কোয়ালিটি’ সময় কাটান।

আরও পড়ুন

৪. ধীর জীবন
স্লো লিভিং বা ধীর জীবন আমাদের বর্তমান মুহূর্তে বাঁচতে শেখায়, ফলে মন শান্ত থাকে। এটি অযথা তাড়াহুড়া ও মানসিক চাপ কমিয়ে জীবনে স্বস্তি আনে। যেকোনো কিছুর সঙ্গে ধীরে চললে (হোক সেটা মানুষ বা কোনো ব্যবহার্য জিনিস অথবা কোনো অভ্যাস) সেগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা বাড়ে। ছোট ছোট আনন্দগুলো চোখে পড়ে। নিজের প্রয়োজন ও অনুভূতি বোঝার সময় পাওয়া যায়, যা আপনাকে আত্মতৃপ্ত আর সুখী করে।

৫. সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবেন না

সবকিছু আমাদের হাতে থাকে না, এটা মেনে নিলে অনেক কিছুই অনেক সহজ হয়ে যায়। ছেড়ে দিতে পারা বা চলে যেতে দেওয়াও মানসিকভাবে ভারমুক্ত হওয়ার একটা প্রক্রিয়া। নিয়ন্ত্রণ করতে না চাওয়া, নীরবে পর্যবেক্ষণ করে যাওয়া ও চলে যেতে দেওয়ার শক্তিকে উদ্‌যাপন করুন।

সূত্র: হেলথলাইন

আরও পড়ুন