অন্দরসজ্জায় গাছের উপকারিতা সম্পর্কে আমরা এখন অনেকটাই ওয়াকিবহাল। তবে কমবেশি সবার একটাই অভিযোগ, গাছগুলো বেশি দিন বাঁচে না! আশার কথা হলো, অনেক ঘরোয়া গাছ সঠিক যত্ন পেলে শুধু কয়েক বছর নয়, বরং কয়েক দশক, এমনকি প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকতে পারে। দীর্ঘদিন বাঁচতে পারে, এমন পাঁচটি ঘরোয়া গাছ চিনে নিন।
এটি একধরনের পাতাবাহার। এই জাতীয় বেশ কিছু গাছ আমাদের দেশে সহজেই পাওয়া যায়। প্রচুর আলো পেলে এবং খুব অবহেলা না করলে বহু বছর বেঁচে থাকতে পারে। এর পুরু পাতাগুলো কিছুটা খরা ও অতিরিক্ত পানির চাপ সহ্য করতে পারে।
থ্যাংকসগিভিং, ক্রিসমাস ও ইস্টার ক্যাকটাসও এই দলে পড়ে। সঠিক আর্দ্রতা ও পরিমিত পানি পেলে বহু বছর বাঁচে। সহজে কাটিং থেকেও নতুন গাছ তৈরি করা যায়। বাংলাদেশে সচরাচর পাওয়া যায়।
এটি সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ঘরোয়া গাছগুলোর একটি। রোদ পছন্দ করে এবং কম পানিতেও টিকে থাকতে পারে। অনেক জেড প্ল্যান্ট কয়েক দশক বেঁচে থাকে।
এটাও একধরনের ক্যাকটাস। রাতে ফুল ফোটে। পর্যাপ্ত আলো ও আর্দ্রতা পেলে দশকের পর দশক বেঁচে থাকতে পারে। অনেকে নিশিপদ্ম, নিশিরানি বা নাইটকুইন নামেও চেনে।
অন্দরের সবচেয়ে জনপ্রিয় গাছগুলোর মধ্যে অন্যতম। খুবই সহনশীল একটি গাছ, প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকে। ছোট ছোট চারা (প্ল্যান্টলেটস) তৈরি করে। ফলে মূল গাছ মারা গেলেও বংশধারা সহজে টিকে থাকে।
গাছের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম জানা জরুরি, যাতে প্রয়োজনীয় যত্ন সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত বা খুব কম পানি—দুটিই ক্ষতিকর হতে পারে।
গাছের চাহিদা অনুযায়ী আলো দিতে হবে।
সময়মতো কাটিং বা চারা তৈরি করলে গাছের ‘উত্তরাধিকার’ দীর্ঘদিন ধরে রাখা যায়।
সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট