গত বছর ট্রেন্ডিংয়ে ছিল স্ট্রিট শপিং

গত বছর বাজেটের মধ্যে কেনাকাটার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। জনপ্রিয়তা পেয়েছিল স্ট্রিট শপিং। দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো সারা বছরই দিয়ে গেছে বিশেষ ছাড়।

দোকানে গিয়ে ফরমায়েশ দিয়ে নিজের পছন্দমতো জুতা বানিয়েছেন ক্রেতারা
ছবি: কবির হোসেন

বছরজুড়েই ছিল বাজেটের মধ্যে কেনাকাটার প্রবণতা। অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ব্র্যান্ডের দোকান থেকে সরে এসেছেন বেশির ভাগ ক্রেতা। ক্রেতাদের ধরে রাখতে এ কারণে দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো সারা বছরই বিশেষ ছাড় দিয়ে গেছে। গজ কাপড় কিনে পোশাক বানানোতে আবার আগ্রহ দেখা গেছে।

আরও পড়ুন
অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ব্র্যান্ডের দোকান থেকে সরে এসেছেন বেশির ভাগ ক্রেতা।
ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন

ভ্যানে করে ঘুরতে ঘুরতে ক্রেতাদের বাড়িতে ঢুকে গেছে ক্রোকারিজ, পর্দার কাপড়, বিছানার চাদর, বাঁশ–পাট–বেতের ঝুড়ি। ফুটপাতের নানা ধরনের পোশাক ও পসরায়ও ক্রেতাদের সমাগম দেখা গেছে।

ভ্যানে করে বিক্রি হয়েছে ক্রোকারিজের পণ্য
ছবি: প্রথম আলো

পোশাকের বাইরে বাড়ির নানা অনুষঙ্গ কিনতে শহরের নানা প্রান্তের সস্তার বাজারে ছুটে গেছেন গ্রাহকেরা। হাজারীবাগ, সিদ্দিকবাজার, আলুবাজার, বংশাল, মালিটোলা, মোগলটুলীসহ ধানমন্ডির পুরোনো ১৫ নম্বর রোড, মিরপুর ১০, ১১, ১২, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, পান্থপথ, মৌচাক মার্কেটের নিকটবর্তী সিদ্ধেশ্বরী রোড, টিকাটুলি কালীমন্দিরের পাশেসহ ঢাকার অনেক জায়গাতেই কারিগরের হাতে বানানো চামড়ার জুতার চাহিদা দেখা গেছে এ বছর।

সুপারশপের পাশাপাশি কাঁচাবাজার থেকে কেনাকাটা করার প্রবণতাও বেড়েছে। করোনার সময় অনলাইনে কেনাকাটার যে তোড় শুরু হয়েছিল, এ বছরও সেটা জোরে সঙ্গেই চলেছে। কম আসায় বাইরের পণ্য দেখা গেছে কম।

আরও পড়ুন