মেসির স্ত্রী রোকুজ্জো বললেন, ‘বিশেষ মুহূর্তে মনে হয় মায়ের কোলে একটু মাথা রাখি’

বিশ্বসেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো, তাই তাঁকে নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। সম্প্রতি প্রথমবারের মতো ‘হারপারস বাজার’ স্পেন সংস্করণে প্রচ্ছদ হয়েছেন রোকুজ্জো। সেখানে তাঁর বেড়ে ওঠা, পরিবার, দেশে দেশে সংসার, সন্তান, শখ নিয়ে নানান গল্প করেছেন। সেখান থেকে কিছুটা জেনে নেওয়া যাক অজানা রোকুজ্জোকে।

১ / ১৪
মাত্র ১৯ বছর বয়সে আর্জেন্টিনা ছেড়ে মেসির সঙ্গে থাকতে স্পেনে আসেন আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো। এরপর কখনো স্পেন, কখনো ফ্রান্স, কখনো যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন তাঁরা।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
২ / ১৪
এসব জায়গা থেকে কী পেয়েছেন—এমন প্রশ্নে রোকুজ্জো বলেন, ‘প্রতিটি জায়গায় আমাদের কাছাকাছি আসা মানুষগুলোই আমার কাছে সেরা উপহার। বিশেষ করে লিও (মেসি) যে দলগুলোয় খেলেছে, সেখানে তার সতীর্থদের জীবনসঙ্গীরা। সবখানেই চমৎকার মানুষের দেখা পেয়েছি।’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৩ / ১৪
মেসি–রোকুজ্জো দম্পতির সংসারে তিন সন্তান—থিয়াগো, মাতেও ও চিরো। রোকুজ্জোর দুই হাতেই ট্যাটু করে তিন সন্তানের নাম লেখা আছে
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৪ / ১৪
সন্তানেরা এখন কিছুটা বড় হওয়ায় নিজের জন্য কিছুটা সময় পাচ্ছেন রোকুজ্জো। আর তাই এই সময়টা নিজের পেছনেই ব্যয় করে অর্থবহ কিছু করার চেষ্টা করছেন
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৫ / ১৪
অবসরে বই পড়েন রোকুজ্জো। বই পড়ার নেশাটা তাঁর বেশ পুরোনো। মাঝে পিঠেপিঠি তিন ছেলেকে নিয়ে দিন–রাত কখন পার হয়ে যেত, সেটা বুঝতে পারতেন না। সম্প্রতি পড়েছেন মার্কিন লেখক রেবেকা ইয়ারোসের ট্রিলজি সিরিজ (স্প্যানিশ সংস্করণ) ‘আলাস দে সাংরে’, ‘আলাস দে হিয়েরো’, ‘আলাস দে ওনিক্স’।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৬ / ১৪
রোকুজ্জোর বয়স যখন ১১ বছর, তখন তাঁর মায়ের কাছ থেকে প্রথম উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের বই। আর সেই সিরিজ পড়ে রোকুজ্জো এক নতুন দুনিয়ায় ডুবে যান
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৭ / ১৪
আর তাই বইয়ের প্রসঙ্গ এলেই তাঁর কাছে এখনো সেরা পাঠ্য ‘হ্যারি পটার’ সিরিজ। রোকুজ্জো বলেন, ‘বই পড়ার নেশায় ডুবে বাকি সব ভুলে বসে থাকতাম। তাই মা বলতেন, “এবার থামো।”’ এখনো পরম যত্নে সেই বই আগলে রেখেছেন রোকুজ্জো
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৮ / ১৪
রোকুজ্জোর আরেকটি শখ লেগো দিয়ে খেলা। সন্তানদের সঙ্গে মিলে তিনিও লেগো দিয়ে নানান কিছু বানান। আর একটা সময় এই লেগোর নেশায় পড়ে সন্তানদের বাদ দিয়ে নিজেই নানান কিছু তৈরি করেছেন
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৯ / ১৪
এমনকি লেগো দিয়ে তিন সন্তান ও নিজের বানানো বিভিন্ন জিনিস সাজিয়ে রেখেছেন নিজেদের ঘরের একটি অংশে, যেন অনেকটা জাদুঘর। নিজের তৈরি যে লেগোর খেলনা নিয়ে রোকুজ্জোর সবচেয়ে গর্ব, সেটা হলো—হগওয়ার্টস ক্যাসল
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১০ / ১৪
আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর আরেকটি শখের কাজ হলো ব্যায়াম করা। যেটাকে রোকুজ্জো শারীরিক ও মানসিক দুই দিক থেকেই থেরাপির মতো দেখেন
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১১ / ১৪
রোকুজ্জো বলেন, ব্যায়াম করার সময় খুব উপভোগ করি। স্ট্রেংথ, কার্ডিও, মিউজিকের সঙ্গে ট্র্যাম্পোলিনে লাফানোসহ নানান কিছু করি। ভালো থাকার জন্য এটি আমার খুব দরকার। এটিই আমার থেরাপি। ব্যায়াম না করলে মনে হয় আজ দিনটা ঠিকঠাক যাচ্ছে না।’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১২ / ১৪
রোকুজ্জো প্রায় প্রতিদিন ব্যায়াম করার চেষ্টা করেন। মাঝেমধ্যে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বিরতি নেন। তবে ছেলেদের সেদিন যদি কোনো ফুটবল টুর্নামেন্ট থাকে, সেখানে নিজেও যোগ দেন
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১৩ / ১৪
বিশ্বসেরা ফুটবলারের স্ত্রী হিসেবে মাতৃভূমি ছেড়ে দেশে দেশে সংসার করে বেড়াচ্ছেন রোকুজ্জো। সেটা তিনি উপভোগও করছেন। তারপরও একেক সময় নিজের দেশ আর্জেন্টিনার কথা খুব মনে পড়ে
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১৪ / ১৪
মা–বাবা, ভাই–বোন আর ছোটবেলার বন্ধুদের কথা মনে পড়ে। রোকুজ্জো বলেন, ‘সবই ঠিকঠাক চলছে। তারপরও একেকটি বিশেষ মুহূর্তে মনে হয় মায়ের কোলে একটু মাথা রাখি বা বোনকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকি, সেই সময়টা খুব আফসোস লাগে। মনে হয় প্রিয় বন্ধুটা এখন যদি এখানে থাকত!’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

সূত্র: হারপারস বাজার

আরও পড়ুন