‘পাতার বাঁশরি’তে সুনিধির পোশাকের পেছনের গল্প, দেখুন ১৫টি ছবি

ভালোবাসা, অপেক্ষা আর বিরহের অনুভূতি তুলে ধরেছে কোক স্টুডিও বাংলার নতুন গান ‘পাতার বাঁশরি’। গানটি শোনার পাশাপাশি দেখারও বটে। বহুকালের পুরোনো বিরহ এই গানের ভিডিওতে, যেখানে গায়িকা ও অভিনেত্রী সুনিধি নায়েক তাঁর কণ্ঠ ছাড়াও দ্যুতি ছড়ালেন ফ্যাশন দিয়ে। সুনিধির পোশাকটির ডিজাইনার আনিকা জাহিনের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত রইল এখানে।

১ / ১৫
গানটির মূল ভাবনা যেহেতু প্রেম ও না–পাওয়ার কষ্ট, তাই সেখানে পুরোনো দিনের আবহ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। আর সেটা দেখা গেছে শুটিং লোকেশন থেকে শুরু করে কুশীলবদের সাজপোশাকেও
ছবি: তানজিদ আহসান
২ / ১৫
গানটিতে ইশানের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন সুনিধি নায়েক; যেখানে তাঁর সাজপোশাক বিশেষভাবে নজর কেড়েছে
ছবি: জয়িতা তৃষা
৩ / ১৫
সুনিধি নায়েকের পোশাক, গয়না ও সাজ এমনভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যেন গানের শেষ অংশের প্রেমিকের মতো দর্শকের চোখও খুঁজে ফেরে সুনিধিকে। গানটিতে সুনিধিকে দেখা গেছে একটি কাস্টম মেইড লেহেঙ্গায়
ছবি: জয়িতা তৃষা
৪ / ১৫
মহুয়া পালা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অমর রোমান্টিক ট্র্যাজেডি। ১৬৫০ সালের দিকে কবি দ্বিজ কানাইয়ের রচিত এই পালা ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত বিশ্বখ্যাত ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র এক নম্বর পালা। সেই মহুয়া পালাকে তুলে ধরা হয়েছে সুনিধির পরিহিত এমব্রয়ডারি কাজের মাধ্যমে
ছবি: জয়িতা তৃষা
৫ / ১৫
পোশাকটিতে আরও আছে মোঘল ঘরানার মোটিফ। লম্বা হাতার ব্লাউজে চুমকি, পুঁতি ছাড়াও আছে অলংকারের নকশা
ছবি: তানজিদ আহসান
৬ / ১৫
সুনিধিকে এখানে ‘লস্ট প্রিন্সেস’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ‘লস্ট প্রিন্সেস’ হলো হারিয়ে যাওয়া বা আড়ালে থাকা রাজকন্যার প্রতীক, যা অনেক সময় মানুষের হারানো পরিচয়, আত্মার পবিত্রতা বা অন্তর্নিহিত সত্তাকে বোঝায়। তাই সুনিধিকে এই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে তেমন রঙের সাজপোশাকে
ছবি: জয়িতা তৃষা
৭ / ১৫
গানটির পুরো কোরিওগ্রাফিতে রিচ রয়্যাল কালারগুলো বেছে নেওয়া হয়েছে। গাঢ় মেরুন, গাঢ় সুবজ, কালচে বেগুনি ও সোনালির মতো রংগুলো রাখা হয়েছে সচেতনভাবে। সুনিধির পোশাকটি তৈরি হয়েছে তসর সিল্ক, মখমল ও মসলিনের কাপড়ে
ছবি: জয়িতা তৃষা
৮ / ১৫
সুনিধির পোশাকটি তৈরি করতে পুরো টিমের প্রায় ৪০০ ঘণ্টা সময় লেগেছে। কারচুপির কাজগুলো করা হয়েছে হাতে ধরে ধরে
ছবি: জয়িতা তৃষা
৯ / ১৫
কস্টিউম ডিজাইনার আনিকা জাহিন বলেন, ‘পুরো লেহেঙ্গায় পাশের দেশ থেকে ইন্সপায়ার্ড না হয়ে, নিজেদের মোটিফ ব্যবহার করতে চেয়েছি। যে কারণে এখানে মহুয়া পালার নানা অলংকরণ এসেছে মোটিফ হিসেবে। হরিণ, ময়ূর, পাখি, রাজকন্যা আর নানা রকম ফুল ও গাছগাছালির সমন্বয় আছে।’ ছবিতে আনিকা ও সুনিধি
ছবি: তানজিদ আহসান
১০ / ১৫
একই সঙ্গে পুরো লেহেঙ্গার মধ্যে যেন শিল্পীর ব্যক্তিসত্তা হারিয়ে না যায়, সেই চেষ্টাও ছিল
ছবি: তানজিদ আহসান
১১ / ১৫
পোশাকের পাশাপাশি গয়নাগুলোও বানানো হয়েছে বিশেষভাবে আলোচনা করে। জুয়েলারি ব্র্যান্ড ক্যানভাসের স্বত্বাধিকারী তন্বী কবির নিজেই সেসব নকশা করেছেন।
ছবি: তানজিদ আহসান
১২ / ১৫
গয়না হিসেবে গলার চওড়া টুইন পিকক হাসুলি, কানে মোটা টপ, হাতভর্তি মোটা বালা, রতন চূড়, হাতফুল রিং ও মানতাসা পরে রাজকন্যার অবয়বে ক্যামেরার সামনে আসেন সুনিধি নায়েক
ছবি: তানজিদ আহসান
১৩ / ১৫
আনিকা বলেন, ‘সাজপোশাকের পুরো অংশে কোনো রেফারেন্স ফলো না করে বরং নিজেরা রেফারেন্স ক্রিয়েট করতে চেষ্টা করেছি। বাকিটা হয়তো দর্শক দেখলেই বুঝবেন।’ একটু একটু করে ভেবে তারপর সেটার স্কেচ করে সুনিধির পোশাক ও গয়না তৈরি করা হয়
ছবি: আনিকা জাহিনের সৌজন্যে
১৪ / ১৫
সোনারগাঁয়ের লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরের সরদার বাড়িতে গানটির শুটিং সেট তৈরি করা হয়।
ছবি: কোক স্টুডিও বাংলার সৌজন্য
১৫ / ১৫
এরই মধ্যে সংস্কার করে বাড়িটিতে পুরোনো চেহারায় ফেরানো হয়েছে। আর তাই পুরোনো দিনের আবহ আরও পোক্ত হয়েছে গানের দৃশ্যে
ছবি: কোক স্টুডিও বাংলার সৌজন্য
আরও পড়ুন