সৃজনশীল পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হই ষষ্ঠ শ্রেণিতে। আমাদের পাঠ্যবইগুলো এমনভাবে তৈরি ছিল যে সত্যি বলতে প্রচলিত গাইড বই না থাকলে আদতে পাস করা সম্ভব হতো না। তখন না বুঝেই মুখস্থ করতাম। কিন্তু সৃজনশীল যুগ পার করে এসে বহুদিন পর জেনেছি, ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং’ বলে একটা ব্যাপার আছে। এখন আফসোস হয়। অনেক প্রশ্নের উত্তর গাইড থেকে হুবহু মুখস্থ তুলে না দিয়ে যদি নিজের অনুধাবন থেকে লিখতাম, তাহলে হয়তো শিক্ষকেরা নতুন কিছু পেতেন। আমিও নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে পারতাম।

সেটি সম্ভব হয়ে ওঠেনি প্রচলিত পাঠ্যবইগুলোর কারণেই। সে জায়গা থেকে কিছু বিতর্ক থাকলেও নতুন পাঠ্যক্রমটি আমার কাছে যথেষ্ট আশাজাগানিয়া মনে হয়েছে। সহজবোধ্য ছবি, আনন্দময় কাজের মাধ্যমে শিখন, ছোট ছোট কাজ ইত্যাদি শিক্ষার্থীকে মৌলিক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে বলে আমার বিশ্বাস। সব শেষে বলতে চাই, আমাদের আসলে নতুনত্বকে বরণ করে নেওয়া উচিত। কিছু ভুল–ত্রুটি সংশোধনের নির্দেশনা এসেছে। সংশোধন হয়ে যাওয়ার পর আশা করি আমরা একটা সুন্দর পাঠ্যপুস্তক পাব।