বিজ্ঞাপন

কাক ও কাকিনী
করোগেট চালে দাঁড়কাক
কাকিনীরে দিতে উপহার
শিকারিল নধর মূষিক

ইতিউতি খুঁজে দ্যাখে—নাইইইইইইই
কুচকুচে ডানার হ্লাদিনী

কা-কা কা-কা!
চরাচর ফাঁকা!

অন্য ধামে তখন কাকিনী
মহাসুখে নব নাগরের
চঞ্চুতে চঞ্চু চলে ঘষে

দুপুরের এই অপরূপ
দৃশ্যের নিবিড় তামাশা
দুপুর নিজেই বসে আঁকে

মায়াকোল, অখিল বিবর

(জহর সেনমজুমদারের জন্য)

রক্ত লাগা খড়্গ হাতে কালী এসে বলবে: কী রে তুই

এখনো আছিস ঠায় বসে?

আয় তবে কোলে নিই

ঠাঁই দিই এ মায়াজঘনে

আমাকে এখন আর ভয় পাসনে

মূর্ছা যাসনে ত্রাসে।

তারচে বরং বল ‘এবমস্তু’

অজিন-আসন থেকে নেমে আয় ধীরে;

রাত্রিদিননিরপেক্ষ মেরুন-ফিরোজা-লাল-নীল

মূর্ছাহত এ প্রহরে

এ আমাকে শুধু একবার

মাতৃজ্ঞানে জাপটে ধর, জাপটে ধর

ঠোঁট লাগা উষ্ণ-গাঢ় রক্তপয়োধরে

মুখ লাগা মুখ নামা

শষ্প-তৃণে ঘেরা এই অখিল বিবরে।

২.
আইসো

এবে অন্দরে আইসো।
এবে প্রশমন।

এবে অধিক অন্দরে আইসো
এবে প্রশমন!

শান্ত-নাভি! তৃপ্ত শিশু
জন্মদ্বারে
স্বাগত
স্বাগত

এবে আইসো,
অশেষ জোনাকিলিপ্ত মাতৃদ্বারে
পুত্র হেন, রজঃপুষ্প হেন

ভেকের শিশুর মতো লাফ দিয়া
এবে আইসো জন্মজলায়

এবে আইসো,
শূন্যগর্ভ জঠরের অযৌন নির্ভ্রূণ কুঠরিতে

তুই-ই বল তা না হলে আমি
কী করে পাব রে মাতৃরূপ!
তোকেই না খাই যদি গিলে?

অন্যআলো ডটকমে লেখা পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

অন্য আলো থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন