সান্তা ক্লস থাকবেনই

চাঁদ যেমন সত্য, সূর্য যেমন সত্য, ভালোবাসা যেমন সত্য, শিশুরা যেমন সত্য, শিশুদের বিশ্বাস যেমন সত্য, সান্তা ক্লজও তেমনই সত্য।সান্তাকে নিয়ে মানুষের মধ্যে দুটো ভাগ—সান্তা-বিশ্বাসী আর সান্তা-অবিশ্বাসী। আমি সান্তা-বিশ্বাসীদের দলে। শিশুদের সবাই বিশ্বাস করে, এমনকি যারা সন্দেহপরায়ণ শিশু, সান্তার ক্রিসমাস উপহার পেলে তাদের সন্দেহও ঘুচে যায়। উপহার নিয়ে সান্তা ক্লজ তো আসছেনই। স্মরণকালের কোনো ক্রিসমাসই সান্তা ছাড়া উদ্যাপিত হয়নি।সান্তা ক্লজ হচ্ছেন সেইন্ট নিকোলাস। তিনি ফাদার ক্রিসমাস হিসেবেও পরিচিত। শিশুদের কাছে সান্তার চেয়ে প্রিয় আর কোনো চরিত্র নেই।ক্রিসমাসে, অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে শুরু করে সারা রাত ভালো শিশুদের জন্য উপহার বহন করে নিয়ে আসেন সান্তা। ফলে আনন্দে কাটে শিশুদের বড়দিন। কোথাও কোথাও সান্তার উপহার আসে ৬ ডিসেম্বর সেইন্ট নিকোলাস দিবসে।সান্তা কি আদৌ আছেন?আট বছর বয়সের অনুসন্ধিৎসু বালিকা ভার্জিনিয়া ও’হ্যানলন নিউইয়র্ক সান-এর সম্পাদককে সান্তার অস্তিত্বের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন করে একটি চিঠি লিখল। তার প্রশ্নের জবাব সম্পাদকীয় হিসেবে ২১ সেপ্টেম্বর ১৮৯৭ প্রকাশিত হলো। প্রবীণ সাংবাদিক ফ্রান্সিস চার্চের লেখা এই সম্পাদকীয় পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বাধিক পুনর্মুদ্রিত, আংশিক বা সম্পূর্ণ উদ্ধৃত, বহু ভাষায় অনূদিত, অসংখ্য গ্রন্থ ও পোস্টারে ব্যবহূত সম্পাদকীয়। ভার্জিনিয়ার চিঠি:প্রিয় সম্পাদক,আমার বয়স আট।আমার ছোট বন্ধুদের কেউ কেউ বলে, সান্তা নেই। বাবা বলেছেন, দ্য সান পত্রিকা যদি বলে, তাহলে আছে। আমাকে সত্য কথাটা বলুন, সান্তা কি আছেন?ভার্জিনিয়া ও’হ্যানলন১১৫, ওয়েস্ট নাইনটি ফিফথ স্ট্রিট।সেই ঐতিহাসিক সম্পাদকীয়:ভার্জিনিয়া, তোমার ছোট বন্ধুরা ভুল বলেছে। সন্দেহের যুগের সন্দেহপরায়ণতা তাদের পেয়ে বসেছে। তারা যা কিছু দেখতে পায়, তার বাইরে কিছু বিশ্বাস করে না। তারা মনে করে, তাদের ছোট্ট মনে বোধগম্য নয় এমন কিছুই থাকতে পারে না। ভার্জিনিয়া, বড়দের হোক আর ছোটদের হোক, আমাদের সব মনই ছোট। এই বিশাল মহাবিশ্বে মানুষ তুচ্ছ কীটের মতো। চারপাশের অসীম পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করলে মানুষের বুদ্ধি কীটপতঙ্গ ও পিঁপড়ের চেয়ে বেশি নয়—যে বুদ্ধিমত্তায় সব সত্য ও জ্ঞান আয়ত্ত করা যায় তার সঙ্গে তুলনা করলে এর বেশি নয়। হ্যাঁ, ভার্জিনিয়া, সান্তা ক্লজ আছেন। ভালোবাসা, উদারতা ও সাধনা যেমন অবশ্যই আছে, তুমি তো জানোই, এসব চারদিক থেকে তোমাকে ঘিরে রেখে তোমার জীবনকে যে সর্বোচ্চ সৌন্দর্য ও আনন্দ দেয়, এটা যেমন সত্যি, ঠিক একইভাবে সত্যি সান্তা ক্লজের অস্তিত্ব। হায়! সান্ত ক্লজ যদি না থাকতেন, পৃথিবীটা কেমন নিরানন্দ হয়ে যেত। পৃথিবীতে কোনো ভার্জিনিয়া না থাকলে সবকিছু যেমন বিষণ্ন ও নিরানন্দ হয়ে পড়ত, সান্তার ব্যাপারেও তাই। তাহলে আমাদের জীবনকে সহনীয় করে তোলার মতো কোনো শিশুসুলভ বিশ্বাস থাকত না, কবিতা থাকত না, রোমাঞ্চ থাকত না। শৈশবের যে অনন্ত আলো পৃথিবীকে ভরে রাখত, তা নিভে যেত। সান্তা ক্লজে বিশ্বাস করে না! তুমিও তো পরিদের বিশ্বাস না-ও করতে পার। তুমিও তোমার বাবাকে বলতে পার, লোক ভাড়া করে তাদের দায়িত্ব দেবে ক্রিসমাস ইভে চিমনির দিকে লক্ষ রেখে সান্তা ক্লজকে ধরে ফেলার—যদি তারাও দেখে যে সান্তা চিমনি দিয়ে নেমে আসছেন না, তাহলে কী প্রমাণিত হবে? কেউ তো সান্তাকে দেখে না, কিন্তু সান্তা নেই এটা তার কোনো প্রমাণ নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে সত্যিকার জিনিসগুলো শিশু কিংবা বয়স্ক মানুষ—কেউ দেখে না। তুমি কি তোমাদের বাড়ির লনে পরিদের নাচতে দেখেছ? নিশ্চয়ই দেখোনি, পরি নেই এটা তার প্রমাণ হতে পারে না। অদেখা কিংবা দেখা যায় না—পৃথিবীর এমন বিস্ময়কর বিষয়গুলো কেউ তাদের ধারণায় আনতে কিংবা কল্পনায় রাখতে পারে না।...হ্যাঁ, ভার্জিনিয়া, সান্তা ক্লজ আছেন। ভার্জিনিয়া কে?ভার্জিনিয়া ও’হ্যানলন ডগলাসের জন্ম ২০ জুলাই, ১৮৮৯ সালে, নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে। ১৯১০ সালে ভার্জিনিয়ার বিয়ে হয়। বিয়েটা তাঁর সুখের হয়নি। লরা নামের একটি কন্যাসন্তান নিয়ে তাঁকে একাকী জীবন যাপন করতে হয়। ভার্জিনিয়া ১৯১০ সালে স্নাতক, ১৯১২ সালে স্নাতকোত্তর, সবশেষে ফোর্ডহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে নেন। বিখ্যাত এই চিঠির জন্য ১৯৭১ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিদিনই পৃথিবীর কোনো না কোনো প্রান্ত থেকে বিভিন্ন বয়সী মানুষের চিঠি পেয়েছেন। ইয়েস, ভার্জিনিয়া, দেয়ার ইজ এ সান্তা ক্লজ নামে অনেক বইপত্র লিখিত হয়েছে; সিনেমা, নাটক ও টিভি সিরিয়াল হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে।সান্তার পোস্টকোড: হো হো হো যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগ ইউএম পোস্টকে ক্ষমতা দেওয়া হলো, তাদের কর্মকর্তারা সান্তাকে লেখা চিঠি খুলতে পারবেন এবং সেই চিঠির যথাযোগ্য উত্তরও দিতে পারবেন। একটি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিঠিতে ঠিকানা লেখা থাকে: সান্তা ক্লজ, উত্তর মেরু। যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা রাজ্যের উত্তর প্রান্তবর্তী শহর নর্থ পোলের কেন্দ্রীয় ডাকঘরে প্রতি ক্রিসমাসে ৬০ হাজার চিঠি এসে জমা হয় আর নিউইয়র্কের প্রধান ডাকঘরে তিন লাখ। ডাকটিকিটসহ ফিরতি খাম দিয়ে দিলে সেখানকার সান্তাভক্ত স্বেচ্ছাসেবীরা সুন্দর ও উৎসাহব্যঞ্জক জবাব লিখে তা প্রেরকের কাছে পাঠিয়ে দেয়। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে নর্থ পোল ডাকঘরে প্রতিদিন সান্তার নামে এসেছে ১২ হাজার চিঠি। কানাডার পোস্টাল সার্ভিস সে দেশের শিশুদের একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে, সান্তাকে চিঠি লেখার সময় সঠিক পোস্টকোড ব্যবহার করতে হবে। সান্তা ক্লজ যেখানেই থাকুন না কেন, তাঁর পোস্টকোড হবে Ho Ho Ho (হো হো হো)। সান্তা নেই তো চাকরি নেইএই সংবাদটি দিয়েছে রয়টার ৫ ডিসেম্বর, ২০০২। ক্যানবেরার একটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক তাঁর ক্লাসের ছয় বছর বয়সী শিশুদের বলেছেন, আরে ধ্যাৎ, বাজে কথা! সান্তা ক্লজ বলে কিছু নেই। স্কুলটির নাম করওয়া পাবলিক স্কুল। তখনই শিশুদের মন খারাপ হয়ে গেল। ছুটি হতেই শুরু হলো কান্না। কাঁদতে কাঁদতে অভিভাবকদের বলল তাদের দুঃখের কাহিনি। তাহলে কে দেবে উপহার?অভিভাবকেরা নালিশ জানালেন শিক্ষকের বিরুদ্ধে, সবাই মিলে বিক্ষোভ করলেন। পরে স্কুলের হেডমাস্টার আয়ান পিন্টার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুলে আসতে নিষেধ করে দিলেন। ঈশ্বরে অবিশ্বাসী হলে অসুবিধে নেই। কিন্তু সান্তায় অবিশ্বাসী হলে ছাড় নেই।চিমনি বেয়ে নামলেই সান্তা ননসান্তা ক্লজ শীতের দেশের নিয়ম অনুযায়ী ঘরের চিমনি বেয়েই নেমে থাকেন। যে বাড়ির ছাদের ওপর চিমনির দেখা মেলে না, সেই বাড়িতে কি সান্তা যাবেন না? এখানেও ব্যতিক্রম আছে। বাড়িতে শিশু থাকলে শুভেচ্ছার পাহাড় নিয়ে সান্তা যাবেনই, কেমন করে তা তিনিই ভালো জানেন। সিডনির এলিস স্প্রিংয়ে গ্যাপভিউ নামের একটি হোটেলের চিমনিপথে নামছিলেন একজন কেউ—সান্তাই হওয়ার কথা। কিন্তু চিমনির মাঝামাঝি অংশটা একটু চাপা হওয়ায় মাঝপথে এসে আটকে গেল তাঁর নাদুসনুদুস শরীর। সব চেষ্টা—নামার কিংবা ওপর দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার—যখন ব্যর্থ হলো, তখন কেবল কান্না ও গোঙানির শব্দ বের হতে থাকল। ততক্ষণে ১০ ঘণ্টা কেটে গেছে। হোটেল-কর্মচারীদের একজন গোঙানির শব্দ শুনে আটকে পড়া সান্তাকে রক্ষা করতে দমকল বাহিনীতে খবর দেয়। দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর চিমনির একাংশ কেটে যাঁকে বের করে আনা হয়, তিনি অন্য কেউ। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, তিনি পেশায় একজন সিঁধেল চোর। সান্তা চিমনি বেয়ে নামতে পারলে তিনি কেন পারবেন না—এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে চুরির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ওপর থেকে নেমে আসতে গিয়ে এই বিপত্তি।(সংবাদটি দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি, ২৯ ডিসেম্বর, ২০০৭)সান্তার কাছে মা-বাবার চাওয়াবার্লিনের সান্তা ক্লজ খোলামেলাভাবে বলেছেন, তাঁর কারবার ছোটদের সঙ্গে, তাদের মা-বাবার সঙ্গে নয়। কিন্তু মা-বাবারা তাঁর জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছেন। তাঁদের চাওয়ার শেষ নেই। তাঁরা চান:  শিশুটি যেন রাতে বিছানায় প্রস্রাব না করে। যেন জনসমক্ষে বুড়ো আঙুল না চোষে। যেন ভাই বা বোনের সঙ্গে মারামারি না করে। যেন গ্লাসের সবটুকু দুধ খায়। যেন ছড়াগুলো ঠিকভাবে মুখস্থ করে। যেন নিজের কক্ষটি পরিষ্কার রাখে। যেন কঠোর পরিশ্রম করে পরীক্ষায় বেশি নম্বর পায়। যেন কালো বিড়ালটাকে লাথি না মারে। যেন চকোলেট কম খায়। যেন শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করতে ভুলে না যায়।বার্লিনের সান্তা ক্লজ তাই ভীষণ বিরক্ত মা-বাবার ওপর। উপহারের সঙ্গে শর্ত জুড়ে দিলে শিশুদের আনন্দটাই মাটি হয়ে যাবে।অদ্ভুত সব সান্তা-তথ্যসান্তার বাহন স্লেইজ আর বলগা হরিণ। সান্তার বলগা হরিণ আসলে উড়তে পারে না। মঙ্গোলিয়ার বুনো গাধা ঘণ্টায় আট মাইল দৌড়াতে পারে। এই গাধাও সান্তার বলগা হরিণের চেয়ে দ্রুতগামী। ১৯৯৯ সালে সান্তা ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ৪,২৪,৬৬,৬৬৬টি বাড়িতে মাত্র ১২ ঘণ্টায় তার ঝোলাভর্তি সব উপহার পৌঁছে দিয়েছেন। উপহার দেওয়ার কথা ভালো শিশুদের। যেকোনোভাবেই হোক, সান্তা জেনে যান কোন শিশুটি ভালো, কোনটি মন্দ। শেষ পর্যন্ত সান্তা সবাইকে উপহার দেন।  যে ভারী বোঝা নিয়ে যে গতিতে সান্তাকে ছুটতে হয়, তাতে সান্তাকে ১৭ হাজার একক মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মোকাবিলা করে এগোতে হয়।  ২০০৮ ও ২০০৯—এই দুই বছর কার্টুন নেটওয়ার্কে একটি প্রিয় স্লোগান ছিল, ইয়েস ভার্জিনিয়া, দেয়ার ইজ এ সান্তা ক্লজ।  মিরাকল অন দ্য থার্ড স্ট্রিট সিনেমায় বলা হয়েছে, ইয়েস মিকি, সান্তা ডাজ শেভ (হ্যাঁ, মিকি, সান্তা দাড়ি কাটেন)। সান্তা ক্লজ শেভ করতেই পারেন না, এটা পৃথিবীর আর সব শিশুর মতো আমিও বিশ্বাস করি না। মেরি ক্রিসমাস। সান্তার মেজাজসান্তা ক্লজের অসাধারণ সহনশীলতা। খুব সহজে চটেন না। বকাঝকা দেন, চড়-থাপড় দেওয়ার প্রশ্নই তো আসে না। কিন্তু জার্মানির ফুঙ্গস্তাদে ৩ ডিসেম্বর, ২০০১ সান্তা ক্লজ বিরক্ত হতে হতে একপর্যায়ে নয় বছর বয়সী একটি বালকের গালে কষে চড় মারলেন এবং তাকে ঝাড়ু রাখার আলমারিতে অনেকক্ষণ আটকে রাখলেন। দুষ্ট ছেলের একটি দল অনেকক্ষণ ধরে তাঁকে টিটকারি মারছিল এবং একপর্যায়ে তাঁর সান্তাপোশাক খুলে দেখতে চাইছিল আসলে তিনি কে। অধৈর্য হয়ে তিনি একসময় চড়টা মেরেই দিলেন। অমনি তোলপাড় শুরু হয়ে গেল। শিশুটির মা-বাবা এসে অভিযোগ দায়ের করলেন। পুলিশও হতভম্ব হয়ে পড়ল। কারণ সান্তার হাতে তখনো অনেক উপহার। ক্রিসমাস শপিং সেন্টারে তিনি শিশুদের উপহার বিলিয়ে যাচ্ছিলেন। সাওপাওলোর এক রাস্তায় ট্রাফিক সিগন্যালের লালবাতি দেখে থেমে যাওয়া গাড়িগুলোতে সুবেশী সান্তা ক্যান্ডি বিতরণ করছিলেন, কিন্তু পাশের এক কার পার্কের দিকে হেঁটে আসা এক সুন্দরী মহিলাকে দেখে হঠাৎ কালো বেল্টের নিচ থেকে রিভলবার বের করে গুলি চালিয়ে বসেন। এই গুলি দস্যুতার উদ্দেশ্যে, নাকি অন্য কোনো কারণে তা স্পষ্ট নয়। সান্তা দ্রুত পোশাক খুলে ফেলে ক্যান্ডির বস্তা রেখে পালিয়ে যান। (রয়টার্সের ২১ ডিসেম্বর, ২০০১)পরের বছর ডিসেম্বরে সান্তা সানদিয়াগো শহরের একটি সুপার মার্কেটে ইউনিয়ন ব্যাংকে ঢুকে গুলি করার হুমকি দিয়ে ব্যাংকের সব টাকা একটি থলেতে ভরে পায়ে হেঁটে ব্যাংক থেকে বের হয়ে যান। তারপর ভো দৌড়। পালানোর পথে নিজের সান্তা-পোশাক ঝেড়ে ফেলেন। সেদিন রাতেই পুলিশ টাকা-পয়সাসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।