অনলাইনে প্রথম আলো (prothom-alo.com) নিয়মিত পড়া হয় ২১০টি​ দেশ ও অঞ্চল থেকে। পড়ার পাশাপাশি পাঠকেরা প্রতিদিন রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, খেলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। গত কয়েক দিনে মতামত ও সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় করা বাছাই কিছু মন্তব্য প্রকাশিত হলো

বিএনপির সঙ্গে আলোচনা নয়

সংবাদ: ৭ ফেব্রুয়ারি

মত

গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, সেভাবেই ৫ জান​ুয়ারির নির্বাচন হয়েছে। যাঁরা এ ধরনের নির্বাচন অপছন্দ করেন, তাঁরা আসলে কি গণতন্ত্র চান? খালেদা জিয়া ভুল করে নির্বাচন করেননি, তাঁর ভুলের মাশুল ‘সংলাপ’-এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা অবাস্তব। তার পরও শেখ হাসিনা তাঁকে ফোন করেছিলেন। কোকোর মৃত্যুর পর সমবেদনা জানাতে ছুটে গিয়েছিলেন। এ দুটি ঘটনার পরিণতি সম্পর্কে দেশবাসী আশাবাদী হয়েছিলেন। খালেদা কেন এমন দুটি মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করলেন? যাঁরা নিরীহ মানুষ পুড়িয়ে মারতে পারেন, পরীক্ষার সময় হরতাল দিতে পারেন, নির্দ্বিধায় সম্পদ ধ্বংস করতে পারেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

সাধারণ মানুষের কাছে জীবনের অধিকার বড় না ভোটের অধিকার বড়? ২০১৪ সালে জনগণকে ভোট দিতে না করছিল কে? আওয়ামী লীগ, না বিএনপি? চিন্তা করে উত্তর খুঁজে দেখুন, ভোটের অধিকার আসলে কে কেড়েছে? আপনারা জেনেশুনে ভোট  বর্জন করবেন, আবার বলবেন ভোটাধিকার নেই; এটা খুবই হাস্যকর কথা হয়ে গেল না! বুঝে দেখুন।

কাজী আরিফ জামান

দ্বিমত

এ সিদ্ধান্ত মোটেও বিস্মিত করেনি। কারণ আওয়ামী লীগের নেতারা জানেন, তাঁরা কত শতাংশ জনগণের সমর্থন নিয়ে দেশ শাসন করছেন। তাঁরা জানেন আলোচনামাত্রই ভোটের প্রশ্ন, ভোটের পদ্ধতির প্রশ্ন আসবে। যাঁরা ইউপি ‘মেম্বার’ হওয়ার জনপ্রিয়তা রাখেন না, তাঁরা আজ সংসদ সদস্য। তাঁরা এই সুবিধা ছাড়তে চাইবেন না। জনগণ যেহেতু তাঁদের ভোট দেয়নি, তাই তাঁদের প্রতি ন্যূনতম দায়িত্ব আছে বলেও তাঁরা মনে করছেন না। তাই দেশের জনগণের জানমালের যত ক্ষতিই হোক, তাঁদের কিছু যায়-আসে না। তাই এক ঘণ্টা বা দিন ভোটের প্রশ্ন থেকে যত দূরে থাকা যায়, রাখা যায়—ততই তাঁদের মঙ্গল; কিন্তু দেশের সর্বনাশ।

মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেইন

আপনি যখন বলছেন, জনগণ ও দেশের কল্যাণের জন্য যে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নেওয়া হবে। তবে দ্রুত সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করুন। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন যে নির্বাচন নয়, তা আপনিও জানেন। জামায়াত নেতাদের ফাঁসির রায় এমনকি আপিল শুনানি তো হয়ে গেছে। রায় কার্যকরের কী হলো? নাকি ট্রাম্প কার্ড হিসেবে ঝুলিয়ে রেখেছেন?

আসিফ উল হক

অন্যমত

প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আমরা কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে অনুরোধ করছি না, জাতির এই সংকটকালে দলমত-নির্বিশেষে জাতীয় সংলাপের ডাক দিতে পারেন এবং সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের কথা শুনতে পারেন।

আপনি যদি এটুকুও না করেন তবে কি আমরা ধরে নেব, আপনি জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদের আবরণে অথবা বিভিন্ন টালবাহানায় রাজনীতির মূল সমস্যাকে দীর্ঘায়িত করছেন। এবং মানুষ পোড়​ানোর আমাদের বিশ্বাস, জনগণের প্রতি আপনার অবিচল বিশ্বাস এখনো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

মো. তাইজুল ইসলাম

অনলাইন পাঠক মন্তব্য: মত দ্বিমত অন্য মত: অনলাইনে প্রথম আলো (prothom-alo.com) নিয়মিত পড়া হয় ২১০টি​ দেশ ও অঞ্চল থেকে। পড়ার পাশাপাশি পাঠকেরা প্রতিদিন রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, খেলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। গত কয়েক দিনে মতামত ও সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় করা বাছাই কিছু মন্তব্য প্রকাশিত হলো

এই পরিস্থিতিতে নাগরিকদের ভূমিকা কী?

মতামত: আলী রিয়াজ, ৬ ফেব্রুয়ারি

মত

আমরা সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসতে চাই। কিন্তু আমরা নিজেরা তো কোনো দিন নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে আসিনি, কোনো দিনই। আগের যত গণ-আন্দোলন হয়েছে, তাতেও সাধারণ মানুষ নেতৃত্ব দেয়নি। তবে ব্যাপকভাবে জড়িত ছিল। কিন্তু এখন দুই পক্ষ বা কোনো পক্ষের নেতৃত্বের জনসম্পৃক্ততা নেই। তাই তাঁরা আমাদের কথা ভাবেন না। শিক্ষিতজনও এমনভাবে বিভক্ত যে তাঁরা আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা বুঝতে পারেন না।

মো. শাহিনুর রশীদ

দ্বিমত

ইনিয়ে-বিনিয়ে এত কিছু লিখলেন, আসল কথাটাই লিখলেন না! সেটা হলো একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এ মুহূর্তে সবার দাবি। আপনারা এত কিছু না লিখে মূল কথাটা লেখেন না কেন? কার ভয়ে?

কবির

একজন মানুষের পক্ষে বিবৃতি দিয়ে পরে সেই বিবৃতি প্রত্যাহার কিংবা নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করা বীর বাহাদুর বুদ্ধিজীবী বা সুশীল সমাজ কি কোনো বিষয়ে শক্ত মেরুদণ্ড নিয়ে দাঁড়াতে সক্ষম?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

অন্যমত

রাজনীতিসচেতন সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসার জন্য এক পায়ে খাড়া হয়ে আছে। আমাদের একজন বাঁশিওয়ালা প্রয়োজন। কেউ নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে এলে মানুষ ‘হ্যামিলিনের শিশুদের’ মতো দলে দলে বেরিয়ে আসবে।

হাবিবুর রহমান হারুন


রাজনীতিবিদদের কাছে নাগরিকদের মতামতের কোনো মূল্য আছে কি? এই দেশের নাগরিকেরা তো তাদের কাছে সাধারণ সময়ে তৃতীয় শ্রেণির প্রাণী। অবশ্য অতীতে পাঁচ বছর পরে এক দিনের জন্য ভোটার ছিলাম।

এম মাসদুল আলম

অনলাইন পাঠক মন্তব্য: মত দ্বিমত অন্য মত: অনলাইনে প্রথম আলো (prothom-alo.com) নিয়মিত পড়া হয় ২১০টি​ দেশ ও অঞ্চল থেকে। পড়ার পাশাপাশি পাঠকেরা প্রতিদিন রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, খেলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। গত কয়েক দিনে মতামত ও সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় করা বাছাই কিছু মন্তব্য প্রকাশিত হলো

বল প্রয়োগ ও মানুষ মারা গণতন্ত্র

মতামত: সোহরাব হাসান, ফেব্রুয়ারি ৭

মত

কিন্তু প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। গণতন্ত্র মানে সবাইকে নিয়ে চলা। গণতন্ত্র মানে নিজের কথা বলা এবং অপরের কথা শোনা। কিন্তু আমরা নির্বাক যুগের ছায়াছবির মতো নির্বাক গণতন্ত্র কায়েম করেছি। এখানে দলের ভেতরে কথা নেই। সংসদে বিরোধী দল নেই। পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে একদা গণধিক্কৃত স্বৈরাচারী এরশাদ আজ বিবেকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন। গণতন্ত্র উদ্ধারকারী দুই নেত্রীকে তিনি চিঠি লিখে গণতন্ত্রের সবক দিচ্ছেন!

মো. রবিউল ইসলাম

দ্বিমত

সরকার তো বিরোধী দলকে রাস্তায় দাঁড়াতেই দেয় না। দেখামাত্র গুলি করে বা তেমন নির্দেশই পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবিকে দিয়ে রাখে। সরকার যদি বিরোধী দলকে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন (মিছিল-মিটিং) করতে দিত, তাহলে গুপ্ত হামলা হতো না। সরকারই বিরোধী দলকে গুপ্ত হামলা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে বাধ্য করেছে। এটা অনেকের কাছে দিবালোকের মতো পরিষ্কার। সে ক্ষেত্রে গুপ্ত হামলা ছাড়া আর কীই–বা করার আছে। যদিও এটা সমর্থনযোগ্য নয়।

আবদুল মালেক

অন্যমত

যে লাউ সেই কদু। বোকা জনগণ। বিএনপি অথবা আওয়ামী লীগকেই তবু ভোট দেবে। মার খেতে চাইছি আমরা, মার খাব আরও বেশি করে!

মো. মনোয়ার হোসেন

বিজ্ঞাপন
কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন