বাবা তরমুজ কিনতেন পিস হিসেবে খুবই কম দামে। আর বর্তমানে কয়েক বছর ধরে দেখছি তরমুজ বিক্রির চলটা পাল্টে গেছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তরমুজ পিস হিসেবে কিনে বেশি দামে কেজিতে বিক্রি করছেন।

যে কারণে দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চাইলেও মৌসুমি ফল তরমুজ কিনে খেতে পারে না। বেশি দাম দিয়ে কেজিতে তরমুজ কিনব, নাকি পেটের জন্য চাল কিনে ভাত খাব, সংশয়ে থাকি।

প্রতিদিন মনে হয়, আজ একটা তরমুজ কিনি। যখন তরমুজ কিনতে যাই দাম শুনে তরমুজ খাওয়ার সাধ মিটে যায়—এই যদি হয় অবস্থা, ধীরে ধীরে তরমুজ একটি বিলাসী বা উচ্চবিত্ত পরিবারের শৌখিন খাবার হিসেবে রূপ নেবে।

আর যদি ওজন দিয়েই তরমুজ বিক্রি করতে হয় ব্যবসায়ীদের তাহলে সাধারণ ভোক্তারা তাদের প্রয়োজনমতো যতটুকু দরকার ততটুকুই কিনবে। যেমন একটা তরমুজের ওজন ৬ কেজি, দাম ৫০০ টাকা, আমার কাছে আছে ১০০ টাকা, আমি ১০০ টাকায় কতটুকু তরমুজ পাব আমাকে ওজন দিয়ে কেটে ততটুকুই দিতে হবে! নয়তো কোনো তরমুজ ওজন দিয়ে কেজিতে মনগড়াভাবে কোনো ব্যবসায়ী বিক্রি করতে পারবেন না। এমন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে।

এটি গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশের নাগরিকের সবকিছুতে সমান অধিকার ভোগ করার সমান সুযোগ রয়েছে। এর অন্যথা হলে সোচ্চার হতে হবে। এসব অসাধু ও অধিক মুনাফালোভী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এ বিষয়ে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। তরমুজের দাম সহনীয় রাখতে তাদের জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ব্যাপারে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. মিজানুর রহমান
সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন