ইরান যুদ্ধ এখন কোন পথে যাবে?

ইরানি পতাকা হাতে এক ব্যক্তি, তেহরানরয়টার্স
প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলেএখানে ক্লিক করুন

ইসরায়েলের সংসদীয় নির্বাচন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতি জনসমর্থন হ্রাসের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে। অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং উভয় দেশে, সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ও বিশ্বজুড়ে এর প্রতিক্রিয়া নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছে।

তাহলে এসব ফলাফল যুদ্ধের ধারাবাহিকতা ও গতিপথের জন্য অর্থ কী হতে পারে?

নেতানিয়াহু ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই ইরানের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য শত্রুতার কথা গোপন করেননি। তিনি ১৯৯২ সালে নেসেটে দাঁড়িয়ে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সম্ভাবনার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

ওই একই বছর এক নিবন্ধে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও শিল্পোন্নত দেশগুলোকে স্পষ্ট আহ্বান জানান যাতে তারা ইরানকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিপ্রাপ্তিতে বাধা দেয়।

১৯৯৫ সালে প্রকাশিত ‘ফাইটিং টেররিজম’ বইয়েও ইরানের বিষয়ে নিজের অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করেন নেতানিয়াহু। এর পর থেকে ইসরায়েল প্রকাশ্যে ওয়াশিংটনের মাধ্যমে ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করার ও এর পারমাণবিক সক্ষমতা পঙ্গু করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

এহুদ ওলমার্টের আমলে, ২০০৮ সালে ওয়াশিংটনের কাছে ভূগর্ভস্থ শক্ত ঘাঁটি ধ্বংসকারী বোমা এবং নাতানজের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য ইরাকি আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল ইসরায়েল। জর্জ ডব্লিউ বুশ উভয় অনুরোধই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং এর বদলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ব্যাহত করতে গোপন অপারেশনের অনুমোদন দিয়েছিলেন।

২০১২ সালে নেতানিয়াহু ওবামাকে বোঝানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি যদি নেতানিয়াহুর নির্ধারিত লাল সীমা অতিক্রম করে, তবে যেন সেখানে হামলা চালানো হয়। ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের আমলে ইরান পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর ঠেকাতে নেতানিয়াহু মার্কিন কংগ্রেসে বক্তব্য পর্যন্ত দিয়েছিলেন।

২০১৮ সালে ট্রাম্প যখন পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে আসার ঘোষণা দেন, তখন তিনি ইসরায়েলের প্রকাশিত গোয়েন্দা তথ্যের কথা উল্লেখ করেছিলেন। ২০২০ সালে তাঁর প্রথম মেয়াদের শেষের দিকে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুর প্রভাবে ইরানের একটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার কথা বিবেচনা করেছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত তিনি পিছিয়ে যান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
ছবি: রয়টার্স

২০২৪ সালের অক্টোবরে জো বাইডেন ঘোষণা দেন যে তিনি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলা সমর্থন করবেন না। কিন্তু পরের বছরই পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোয় প্রকাশ পায় যে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলায় যোগ দিতে কীভাবে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক তদন্তে উঠে আসে যে নেতানিয়াহুর তুলে ধরা উপস্থাপনাটি ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্ত গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউট পরিচালিত একটি জরিপ অনুসারে, মার্চের শুরুতে ইসরায়েলের ৯৩ শতাংশ ইহুদি উত্তরদাতা ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ হামলাকে সমর্থন করেছিলেন। তবে জুন মাসে ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের একটি জরিপে দেখা যায় ৬৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন যে মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারক ইসরায়েলের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর।

যদিও নেসেট নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে, তবে পরবর্তী শাসক জোটের গঠন এখনো অনিশ্চিত; কারণ নেতানিয়াহুর জোট বা গাদি আইজেনকোটের জোট—কারোরই সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন জোটেনি। তা সত্ত্বেও, উভয় শিবিরের নেতাদের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থার প্রতি সমর্থন রয়েছে।

অন্যদিকে বিরোধী শিবিরে গাদি আইজেনকোটের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করার লক্ষ্যটি এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। নাফতালি বেনেট ওইয়াইর লাপিদ সরাসরি ইরানি সরকারের পতন সমর্থন করেন, আর অ্যাভিগডোর লিবারম্যান ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোয় আঘাত হানার দাবি জানান।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

ট্রাম্প কংগ্রেসের পূর্ব অনুমোদন ছাড়াই ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছিলেন। জুন মাসে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষ একটি ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোল্যুশন’ বা যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাব পাস করে, যেখানে কংগ্রেসের অনুমতি না থাকা পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সহিংসতা থেকে মার্কিন বাহিনীকে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু হোয়াইট হাউস দাবি করে যে এ প্রস্তাব আইনিভাবে বাধ্যবাধকতা তৈরি করে না।

পেন্টাগন যুদ্ধের আগে কংগ্রেসের অনুমোদিত বিদ্যমান প্রতিরক্ষা বরাদ্দ থেকেই এ সামরিক অভিযানের অর্থায়ন করেছে। গত জুন মাসে হোয়াইট হাউস যখন ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান ও অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য পেন্টাগনের অতিরিক্ত তহবিলের অনুরোধ জানায়, তখন সে অনুরোধ ঝুলে থাকে; কারণ সিনেট এ তহবিলে অন্তর্ভুক্ত থাকা বিস্তৃত প্যাকেজটি পাস করেনি।

গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের কাছ থেকে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয়েরই নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেয়, যা বিশেষ করে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার ওপর একটি স্পষ্ট আঘাত এবং তাঁর নীতিগুলোর প্রতি একটি সরাসরি নির্বাচনী প্রত্যাখ্যান।

ভোটারদের অর্ধেকই তাঁদের ভোটের পেছনে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকে সবচেয়ে নির্ণায়ক কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির নেপথ্যে ছিল ইরান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের তীব্র মূল্যবৃদ্ধি। পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি জরিপে দেখা গেছে যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ৬১ শতাংশ রিপাবলিকান এবং ৮৫ শতাংশ ডেমোক্র্যাট।

এমনকি যুদ্ধের প্রশ্নেও, যদিও সংবিধানে যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কংগ্রেসকে দেওয়া হয়েছে, তবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপ শুরু করার নিজস্ব কিছু জায়গা থাকে, যার আইনি সীমা নিয়ে সরকারের এই দুটি শাখার মধ্যে বহু দিন ধরে বিতর্ক চলছে।

উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের অর্থ হলো কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরোধী দলের হাতে চলে যাবে। এটা তাঁর রাজনৈতিক কৌশল ও নড়াচড়ার সুযোগকে সংকুচিত করবে এবং তাঁর প্রশাসনের ওপর সংসদীয় নজরদারি বাড়াবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে এটি তাঁকে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বঞ্চিত করবে।

প্রশাসনের নীতি পরিবর্তন করতে প্রেসিডেন্টকে বাধ্য করার চেয়ে প্রশাসনের অনুরোধগুলো আটকে দেওয়ার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের ক্ষমতা বেশি। তা ছাড়া এ রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই অনুভূত হবে না।

নতুন কংগ্রেসের মেয়াদ শুরু হবে আগামী ৩ জানুয়ারি, আর বর্তমান কংগ্রেস সেই সময় পর্যন্ত তাদের ক্ষমতায় বহাল থাকবে, যার ফলে নতুন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে আইন প্রণয়ন ও নজরদারির হাতিয়ারগুলো পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হবে।

একবার দায়িত্বে আসার পর ডেমোক্রেটিক সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্টি যুদ্ধের উদ্দেশ্য ও আইনি ভিত্তির বিষয়ে প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় আনতে পারবে, শক্তির ব্যবহার অনুমোদন করতে অস্বীকার করতে পারবে এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ওপর আইনি ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা করতে পারবে।

তবে রাজনৈতিক বিরোধিতাকে প্রেসিডেন্টের ওপর আইনি বাধ্যবাধকতায় রূপান্তরিত করতে হলে নতুন আইন পাস করতে হবে। আর প্রেসিডেন্ট যদি তাঁর ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, তবে তা বাতিল করতে প্রতিটি কক্ষে উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হবে।

ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
রয়টার্স

কংগ্রেস চাইলে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই প্রশাসনের চাওয়া অতিরিক্ত অনুদান অনুমোদন করতে অস্বীকার করতে পারে। কিন্তু নতুন তহবিলের ব্যবহারে আইনি বিধিনিষেধ আরোপের প্রক্রিয়াটি সেই একই জটিল আইন প্রণয়নব্যবস্থা ও প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য ভেটোর ওপরই নির্ভর করে।

২০০৬ সালের নির্বাচনে উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ের পর জর্জ ডব্লিউ বুশের অভিজ্ঞতা রাজনৈতিক বাস্তবতাকে চমৎকারভাবে তুলে ধরে। ২০০৭ সালের শুরুর দিকে বুশ ২০০২ সালে পাস হওয়া সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদনের ওপর ভিত্তি করে ইরাকে অতিরিক্ত ২০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেন।

কংগ্রেস যখন যুদ্ধ তহবিলের অনুমোদনকে ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়, তখন বুশ বিলে ভেটো দেন এবং প্রতিনিধি পরিষদ সে ভেটো বাতিল করতে ব্যর্থ হয়।

এভাবে আইনসভায় বিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও বুশ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে এবং এর অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। একইভাবে, ২০১৫ সালের শুরুতে রিপাবলিকানরা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরও বারাক ওবামা কৌশলগতভাবে যথেষ্ট সুবিধা ধরে রেখেছিলেন।

সামরিকভাবে তিনি ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত রাখেন এবং এর জন্য ২০০১ ও ২০০২ সালের সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করেন। যদিও কংগ্রেস ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর চাওয়া নতুন অনুমোদনটি পাস করেনি।

তিনি ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়েও এগিয়ে গিয়েছিলেন এবং রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের বিরোধিতাকে এমন কোনো আইনি নিষেধাজ্ঞায় রূপ দিতে পারেনি যা চুক্তির বাস্তবায়ন আটকে দেয়।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

এমনকি যুদ্ধের প্রশ্নেও, যদিও সংবিধানে যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কংগ্রেসকে দেওয়া হয়েছে, তবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপ শুরু করার নিজস্ব কিছু জায়গা থাকে, যার আইনি সীমা নিয়ে সরকারের এই দুটি শাখার মধ্যে বহু দিন ধরে বিতর্ক চলছে। ১৯৯৯ সালে কসোভোতে মার্কিন কংগ্রেসের স্পষ্ট শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন ছাড়াই বিল ক্লিনটনের অধীনে সামরিক অভিযান অব্যাহত ছিল।

২০১১ সালে লিবিয়ায় ওবামার আমলেও অপারেশন চলেছিল, যদিও প্রতিনিধি পরিষদ শক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। এসব নজির প্রমাণ করে যে অনুমোদনের অভাব কিংবা এমনকি একটি কক্ষে তা প্রত্যাখ্যাত হওয়াও বাস্তব ক্ষেত্রে সামরিক অভিযানকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে থামিয়ে দেয় না।

এসব ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে বলা যায় যে নেসেট ও কংগ্রেসের নির্বাচনের ফলাফল মানেই ইরান যুদ্ধের অবসান নয়। যদি ইসরায়েলি নেতৃত্ব তা চালিয়ে যেতে চায় এবং ট্রাম্পও একই ইচ্ছা পোষণ করেন, তবে তাঁরা পারবেন।

কংগ্রেসে এ ধরনের পরিবর্তন রাজনৈতিক চাপ এবং আইনি ও আর্থিক বিধিনিষেধ বাড়াতে পারে, তবে এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্তে পরিণত হয় না। তাই এ নির্বাচনের প্রভাব যুদ্ধ একেবারে বন্ধ করার চেয়ে যুদ্ধের ব্যয়, পরিধি, স্থায়িত্ব এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার শর্তগুলোর ওপর বেশি প্রতিফলিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ড. সানিয়া ফয়সাল আল-হুসাইনি আরব আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক।

  • মিডল ইস্ট মনিটর থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।