ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে এবার এলাকা কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানা বা একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত হয়েছে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতিঝিল মূল বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে। এই বিদ্যালয়ের ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ ধরা হয়েছে এজিবি কলোনিকে। এমন নামীদামি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ হিসেবে একটি কলোনিকে নির্বাচন করা কতটা বাস্তবসম্মত হয়েছে?
এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। সেখানে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার নামে একটি কলোনিতেই দেওয়া হচ্ছে ১০০ আসনের মধ্যে ৩৬টি আসন। আর এর সুফলভোগীই বা কারা হবেন? শুধুই সরকারি চাকরিজীবীরা। কারণ, কলোনিতে শুধু সরকারি চাকরিজীবীরাই থাকেন (যদিও অনেক চাকরিজীবী তাঁদের বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে সাবলেট দেন আবার অনেকে তাঁদের পুরো ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে অন্যত্র ভাড়া থাকেন বলে একটা ওপেন সিক্রেট রয়েছে। তবে ওই সব ভাড়াটে তো আর তাদের ওই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে দেখাতে পারবেন না।)
এজিবি কলোনিতে এই সংখ্যক শিক্ষার্থী পাওয়া যাবে কি না, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল। শুধু সরকারি চাকুরেদের এই বিশেষ সুবিধা না দিয়ে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্যাচমেন্ট এরিয়ার মধ্যে যাত্রাবাড়ী, খিলগাঁও, সেগুনবাগিচা ও বাসাবোকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি। তবে এবার যেহেতু এরই মধ্যে আবেদনপত্র গ্রহণের সময় প্রায় শেষ, তাই মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্ষেত্রে কোটা অর্থাৎ এই বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এরিয়া এজিবি কলোনির জন্য শতকরা ১০ ভাগ আসন করা হোক। অবশিষ্ট সব আসন উপর্যুক্ত এলাকার মধ্যে বণ্টন করার দাবি জানাচ্ছি।
আবদুর রহমান
ঢাকা।